বিজ্ঞাপন

কুমিল্লায় অবন্তিকার পরিবারের সঙ্গে কথা বলল জবির তদন্ত দল

March 22, 2024 | 4:59 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

কুমিল্লা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি কুমিল্লায় অবন্তিকার বাড়ি পরিদর্শন করেছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা অবন্তিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে তারা কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২২ মার্চ) সকালেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি কুমিল্লায় পৌঁছায়। সকাল ১০টার দিকে কমিটির সদস্যরা অবন্তিকার বাড়ি কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাও এলাকার অরনী ভিলায় যান।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা কথা বলেন অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনমের সঙ্গে। পরে কমিটির সদস্যরা স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলেন। এরপর তারা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় গিয়ে অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. জাকির হোসেন বলেন, আমরা অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনমের সঙ্গে কথা বলেছি। তার কাছ থেকে ঘটনাটির আদ্যেপান্ত জানার চেষ্টা করেছি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন-

ড. জাকির আরও বলেন, আমরা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলছি। সবার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমরা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। আপাতত এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব না।

বিজ্ঞাপন

অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম বলেন, অবন্তিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির সদস্যরা এসেছিলেন। তারা আমার কাছে যা জানতে চেয়েছেন, আমি সব কিছু বলেছি। তারা আমার ছেলেকে সান্ত্বনা দিয়েছে। অবন্তিকাকে যারা মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে, আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এর আগে গত ১৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা শহরের নিজ বাসা থেকে জবি শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর কিছু সময় আগেই অবন্তিকা ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে একটি স্ট্যটাস দেন। তাতে তিনি ‘আত্মহত্যায় বাধ্য করার জন্য’ জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীকে দায়ী করেন।

এ ঘটনায় অবন্তিকার মা আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে দ্বীন ইসলাম ও আম্মান সিদ্দিকীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। ঢাকায় ওই দুজনকে আটকের পর কুমিল্লা কোতোয়লি থানার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কুমিল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

কুমিল্লায় দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত শুনানি নিয়ে দ্বীন ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিন ও আয়মান সিদ্দিকীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাদের কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুই আসামি এখন কারাগারে আছেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন-

সারাবাংলা/টিআর

Tags: , , , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন