বিজ্ঞাপন

ইউক্রেনে রাশিয়ান সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

May 30, 2018 | 4:48 pm

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

বিজ্ঞাপন

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বসবাসকারী এক রাশিয়ার সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম আরকেডি বাবচিনকো (৪১)।

নিজ দেশের কঠোর সমালোচনার জন্য ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন রাশিয়ার এই অভিজ্ঞ যুদ্ধবিষয়ক সাংবাদিককে।

বিজ্ঞাপন

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ভোলোদেমির গ্রয়েসম্যান এই হত্যাকাণ্ডের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছেন। এই হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমি এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী যে রাশিয়ার একনায়কতান্ত্রিক শাসকযন্ত্র এই সাংবাদিকের সততা ও ন্যায়নীতিকে ক্ষমা করতে পারেনি।

ইউক্রেনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৯ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে আরকেডি বাবচিনকো রুটি কিনতে তার নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বাইরে বের হন, এসময় তার পিছন থেকে তিনটি গুলি করা হয়। এরপর তার স্ত্রী দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন এবং গুরুতর আহত বাবচিনকো হাসপাতালে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই মারা যান।

বিজ্ঞাপন

তদন্ত করে এই ঘটনার বিষয়ে জানাবে রাশিয়া, তবে তারা বলেছেন, এই ধরনের ‘অপরাধ’ করাটা কিয়েভের শাসকদের জন্য নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০১৪ সালে রাশিয়ার সঙ্গে ক্রিমিয়ার এক হয়ে যাওয়া এবং রাশিয়ার সৈন্যরা ইউক্রেনের পূর্বের কিছু অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলে দুদেশের সম্পর্কের অবনতি হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তারা পরষ্পরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়িতে লিপ্ত হয়েছেন। নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছেন করেছেন সাংবাদিকদের অধিকার ও গণমাধ্যম নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা। সব ধরনের প্রভাব থেকে ‍মুক্ত হয়ে দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

এই হত্যাকাণ্ডের ধরন দেখে একে পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে ইউক্রেনের পুলিশ জানিয়েছে, ‘পেশাদারি কাজ এবং মানুষের কাছে তার যে গ্রহণযোগ্যতা, এসব বিষয়ের কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। বন্দুকধারী ব্যক্তি আগে থেকেই তার জন্য বাইরে ওৎপেতে ছিলো। সন্দেহভাজন হত্যাকারীর নাম প্রকাশ না করলেও পুলিশ মাথায় বেইসবলের টুপি পড়া দাড়ি আছে এমন এক ব্যক্তির স্কেচ প্রকাশ করেছে।

রাশিয়া ও পুতিনের কঠোর সমালোচক ছিলেন বাবচিনকো। ‘আমি এই দেশে আর নিরাপদ বোধ করি না’ এই কথা জানিয়ে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশ ছাড়েন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমআইএস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন