সিরিজে টিকে থাকতে হলে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে কাল জিততেই হতো বাংলাদেশকে। কারণ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটা জিতেছেন আইরিশরা, কাল ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ। ম্যাচে একটা সময় মনে হচ্ছিল বড় সংগ্রহই পেতে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ড। প্রথম ৬ ওভারে ৭৫ রান তুলে ফেলেছিল সফরকারীরা। ১০ ওভারে একশ পেরিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। তবে মিডল ওভারগুলোতে আইরিশদের লাগাম টেনে ধরে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। আর এতে নেতৃত্ব দিয়েছেন শেখ মাহেদি।
নবম ওভারে গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটারকে ফেরান মাহেদি। নিজের পরের ওভারে আরও একটা উইকেট এনে দেন। আয়ারল্যান্ডের কোমড় ভেঙে গেছে সেখানেই। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরে আইরিশদের আর চড়াও হতে দেননি বাংলাদেশি বোলাররা। যাতে আয়ারল্যান্ড শেষ পর্যন্ত থেমে গেছে ১৭০ রানে। পরে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর কৃতিত্ব সকলকে দিয়েছেন শেখ মাহেদি। বলেছেন, মিডল ওভারগুলোতে বাংলাদেশ আসলেই ভালো বোলিং করেছে।
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা মাহেদি বলেন, ‘মিডল ওভারে ভালো বল করাতে ওদের ২০-৩০ রান কম হয়েছে। মিডল ওভার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পাওয়ারপ্লের সুযোগ ওরা যেভাবে কাজে লাগিয়েছে, যা যেকোনো দলের জন্য শুধু ভালো শুরু বলব না, দুর্দান্ত বলা যায় এটাকে। কারণ ছয় ওভারে প্রায় ৮০ রানের (মূলত ৭৫ রান) মতো ছিল। সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করার কৃতিত্ব আমার একার না, বোলাররা সবাই ভালো বল করছে।’
নিজের বোলিং নিয়ে মাহেদি বলেন, ‘পাওয়ার প্লেতে দুইজন ডানহাতি ব্যাটার আমার জন্য তো একটু চ্যালেঞ্জিং। যেহেতু ওরা রুম (জায়গা নিয়ে) করে খেলতেছিল বা আমার মাইন্ড নিয়েই খেলছিল তারা।’
‘যখন পাঁচটা ফিল্ডার বাইরে থাকে, তখন একটু ভালো পরিকল্পনা করা যায়। আমি ওই পরিকল্পনায় বল করার চেষ্টা করছি যে আমার শক্তি যা ছিল ওটার উপরেই (প্রয়োগ) গেছি। দিনশেষে ভালো জায়গায় বল করছি।’- যোগ করেছেন তিনি।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। ২ বল বাকি থাকতে আয়ারল্যান্ডের দেওয়া ১৭০ রানের টার্গেট পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ।