কক্সবাজার: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে শুরু হয়েছে ‘কিউট ৮ম জাতীয় সার্ফিং টুর্নামেন্ট’। দুই দিনের এ আয়োজনে দেশি সার্ফারদের অংশগ্রহণে সৈকত এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘সঠিক সুযোগ-সুবিধা পেলে দেশের সার্ফাররা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হবে।’ এ সময় তিনি কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে স্পোর্টস ট্যুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। তিনি বলেন, ‘সার্ফিং একটি সম্ভাবনাময় ক্রীড়া, যা বিকশিত হলে দেশের পর্যটন খাতও উপকৃত হবে।’
সংশ্লিষ্টরা জানান, টুর্নামেন্টে পুরুষ ও নারী বিভাগে প্রায় ৭০ জন সার্ফার অংশ নিয়েছেন।
এদিকে প্রতিযোগীরা জাননিয়েছেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে।
বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. এম. মুজাহিদ উদ্দিন বলেন, ‘ক্রিকেটের মতো সার্ফিংয়েও যদি জোরালো পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হয়, তবে এশিয়ান গেমসের মতো বৈশ্বিক আসরে পদক অর্জন করা অসম্ভব নয়।’
উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী সার্ফিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে নতুন স্পোর্টস কার্যক্রম চালু এবং আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজারে গড়ে ওঠা সার্ফিং সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছাতে পারে, যদি এ খাতে সঠিক তদারকি ও ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা যায়।