২০২৪ সালে ৫ আগস্টে সরকার পতনের পরেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তবে তার কিছুদিন পর নিজ থেকে পদত্যাগ করে সরে যান। পরে ২১ মাস ধরে আর যাননি বিসিবিতে। নতুন এডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের ডাকে আবারও বিসিবিতে হাজির হন সুজন।
তামিমের সঙ্গে কী কথা হলো তার? সাবেক অধিনায়ক আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমকে জানালেন বিস্তারিত, ‘কোনো মিটিংয়ে যাইনি। আসলে তামিম ফোন করে বলেছিল আপনি বোর্ডে আসেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন সিসিডিএমের মিটিংয়ে নাকি? ও বলল মিটিং না, আপনি আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আপনার সাথে আমার অনেক কথা আছে।’
সুজন বলেন, ‘এমনিতেও ওর সাথে যোগাযোগ ছিলই। কিন্তু এই প্রথম বোর্ড ছাড়ার পর কোনো সভাপতি ফোন করে যখন ডাকছে, তখন তো আমি না করতে পারি না। এজন্যই যাওয়া। প্রায় ২১ মাস পর মনে হয় বোর্ডে গেলাম। মূলত, তামিমের সঙ্গে দেখা করতে গেছি।’
তামিমের ডাকে সাড়া দিয়ে সুজন বিসিবিতে কী প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। সেখানে কারা কারা ছিলেন, এ বিষয়ে সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘ক্রিকেট নিয়েই কথা হচ্ছিল। দিন শেষে যখন আমরা ক্রিকেটাররা বসি, তখন ক্রিকেট নিয়েই কথা হয়। ওইখানে আরও অনেক ক্রিকেটার ছিল। শাহরিয়ার নাফিস, মিঠুন, রাজ, মুকুল, রাহুল, নান্নু ভাই ছিল, আরও অনেকে ছিল।’
নানান জলঘোলার পর কদিন আগে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে বিসিবির নতুন এ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তামিমের অধিনে নতুন বোর্ড ভাালো করবেন বলেছেন সুজন। তিনি বলেন, ‘যেহেতু তামিম অনেক বেশি রোমাঞ্চিত, অবশ্যই ও ভালো কিছু করতে চায়। আমি বিশ্বাস করি আমরা একজন ভালো সভাপতি পাব। সত্যি কথা যে কাজগুলো আমরা এতদিন মুখে মুখে বলেছি কিন্তু করি নাই। তামিম সেগুলো করে দেখাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি তামিমকে ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি। ও ক্রিকেট নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিল, অনুশীলন নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিল আমার মনে হয় ওই স্পিরিটটা এখানেও (বিসিবি সভাপতি হিসেবে) বজায় রাখছে। ও খুবই সিরিয়াস।’