Sunday 12 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ডোপ টেস্টে পজিটিভ, দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ ভারোত্তোলক মাবিয়া

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
১২ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৪ | আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৬

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন দেশের অন্যতম সফল ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার। ২০১৬ এসএ গেমসে সোনার পদক জিতে লাল-সবুজের পতাকা জড়িয়ে মাবিয়ার কান্নাভেজা মুহূর্ত একসময় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে গর্বের প্রতীক হয়ে উঠেছিল—যা আজ অনেকটা ম্লান।

গত বছর সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে অংশ নেওয়ার আগে ২৯ অক্টোবর ঢাকায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) ভবনে মাবিয়ার ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ ‘ফুরোসেমাইড’ ও ‘ক্যানরেনোন’-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়।

এই ফলাফলের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) গত বৃহস্পতিবার তাকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সাউথ এশিয়া রিজিওনাল অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থার প্রতিবেদনের পরই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

বিজ্ঞাপন

তবে এই শাস্তিতে ভেঙে পড়লেও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন মাবিয়া। বলেছেন, ‘আমি হাঁটুর ব্যথা আর অ্যালার্জির জন্য ওষুধ খেয়েছিলাম। বিওএ থেকে আমাদের সব সময় বলা হয় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কিছু না খেতে। আমি সেটাই করেছি, গোপনে কিছু খাইনি। আমার কাছে সব প্রেসক্রিপশন আছে।’

নিষেধাজ্ঞার খবর নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিওএ-র সেমিনারে শেখানো হয়েছিল যা–ই খাব, সেটার যেন প্রেসক্রিপশন থাকে। কিন্তু এটা কখনো বলা হয়নি যে কোন কোন ওষুধ খাওয়া যাবে না। ফলে আমি তো আর জানি না কোন ওষুধ খাওয়া যাবে না। ডাক্তারের পরামর্শে আমি ওষুধ খেয়েছি। অথচ আজ প্রেসক্রিপশন থাকার পরও আমাকে শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। বিওএর প্যাডে চিঠি পাঠানো হয়েছে আমাকে। কিন্তু সেই চিঠির সঙ্গে ওয়াডার কপিটিও দেওয়া হয়নি।’

জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মাবিয়া। ২০১২ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এই ভারোত্তোলকের ক্যারিয়ারে রয়েছে একাধিক বড় অর্জন। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে ২০১৬ ও ২০১৯ আসরে টানা দুইবার স্বর্ণপদক জিতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছান তিনি। আন্তর্জাতিক আসরে তার ঝুলিতে রয়েছে মোট পাঁচটি স্বর্ণপদক।

সারাবাংলা/এসএইচএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর