Ad

বিজ্ঞাপন

এমবাপের জোড়া গোলে বায়ার্নকে হারিয়ে সেমির পথে পিএসজি

April 8, 2021 | 2:58 am

স্পোর্টস ডেস্ক

কোয়ার্টার ফাইনালেই যেন চ্যাম্পিয়নস লিগের আরও এক ফাইনাল ম্যাচ। গতবারের দুই ফাইনালিস্ট বায়ার্ন মিউনিখ এবং প্যারিস সেইন্ট জার্মেই এবারে মুখোমুখি শেষ আটেই। হাই ভোল্টেজ এই ম্যাচে জ্বলে ওঠে পিএসজির দুই তারকা নেইমার জুনিয়র এবং কিলিয়ান এমবাপে। বায়ার্নের ঘরের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় কিলিয়ান এমবাপের জোড়া আর মার্কুইনসের গোলে ৩-২ ব্যবধানে প্রথম লেগ জিতে নেয় পিএসজি। বায়ার্নের দুটি গোল আসে চুপো মোটিং আর থমাস মুলারের পা থেকে।

Ad

বিজ্ঞাপন

অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় এদিন নেইমার জুনিয়র এবং কিলিয়ান এমবাপের রাত ছিল। বার্সার মাঠে রাউন্ড অব-১৬'তে হ্যাটট্রিক করে দলকে জিতিয়েছিলেন এমবাপে। আর বায়ার্নের বিপক্ষে করলেন জোড়া গোল। কম যাননি নেইমারও, করেছেন জোড়া অ্যাসিস্ট। ২০১৩/১৪ মৌসুমের পর থেকে এখন পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগে নেইমারের অ্যাসিস্ট সংখ্যা ২৯টি। এই সময়ে তার থেকে বেশি অ্যাসিস্ট করতে পারেনি কেউই।

খেলা শুরুর দুই মিনিটের মাথায় লিড নিতে পারত বায়ার্ন। তবে চুপো মোটিংয়ের হেড ক্রসবারে লেগে প্রতিহয় হয়। আর প্রতি আক্রমণে পরের মিনিটেই লিড নেয় পিএসজি। ডি বক্সের মুখে ডিফেন্ডারদের ঘিরে থাকা অবস্থায় ডান দিকে বল বাড়ান নেইমার। জোরালো শটে ম্যানুয়েল নয়ারকে পরাস্ত করেন এমবাপে। এরপর ১২তম মিনিটে বায়ার্নের জালে আরও একবার বল জড়ায় পিএসজি। জুলিয়ান ড্রাক্সলার এমবাপের কাছ থেকে পাওয়া বল ঠিকই জালে জড়ান কিন্তু বল ধরার সময় এমবাপের অফসাইডে থাকায় বাতিল হয় গোলটি।

Ad

বিজ্ঞাপন

এরপর পিএসজি গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের দৃঢ়তায় গোল হজমের হাত থেকে দুইবার রক্ষা পায় পিএসজি। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে নেইমারের লম্বা করে বাড়ানো বল বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে ডান পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কুইনস। এরপর ৩৭তম মিনিটে চুপো মোটিং গোল করে বায়ার্নের ফেরার আভাস দেন।

২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে বায়ার্ন। আর মাঠে নেমেই দুর্দান্ত আক্রমণ করতে থাকে বাভারিয়ানরা। তবে সেই সঙ্গে কম যাননা নেইমাররাও। তার দুর্দান্ত আক্রমণ প্রতিহত করেন ম্যানুয়েল নয়্যার। অন্যদিকে পিএসজির হয়ে এদিন দেওয়াল হয়ে ছিলেন কোস্টারিকান বাজপাখি সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ গোলরক্ষক কেইলর নাভাস।

খেলার সময় ঘণ্টার কাঁটা ছুঁতে না ছুঁতেই জশুয়া কিমিচের ফ্রি কিকে চোখের পলকে এগিয়ে গিয়ে লাফিয়ে হেডে স্কোরলাইন ২-২ করেন থমাস মুলার। তবে খুব বেশি সময় স্বস্তিতে থাকতে পারেনি স্বাগতিকরা। সমতায় ফেরার মিনিট আটেক পরে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার পাস ডি বক্সে পেয়ে জায়গা বানিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান তরুণ তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে। আর তাতেই ৩-২ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।

শেষ দিকে দুই দলই দুর্দান্ত কিছু আক্রমণ করলেও শেষ পর্যন্ত আর গোলের দেখা পায়নি কেউই। তাতেই পিএসজি বায়ার্নের মাঠ থেকে ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় পায়। ঘরের মাঠে হেরে যাওয়ায় টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে বায়ার্নের জন্য। আগামী মঙ্গলবার ফিরতি পর্বে প্রতিপক্ষের মাঠে কমপক্ষে দুই গোলের ব্যবধানে জিততে হবে তাদের। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে ড্র করলেই যথেষ্ট হবে পিএসজির। এমনকি হারলেও সুযোগ থাকবে তাদের, কেননা তিনটি অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা তো থাকছেই।

Ad

বিজ্ঞাপন

Ad

বিজ্ঞাপন

Ad

বিজ্ঞাপন

Ad