Thursday 24 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

করোনা: চট্টগ্রামে এক কিশোরসহ ২ জনের মৃত্যু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২২ জুন ২০২৫ ১৫:৫৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন ১৪ বছর বয়সী কিশোর। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় চারজনের মৃত্যু হল।

রোববার (২২ জুন) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে গত ২৪ ঘন্টায় দুজনের মৃত্যুর পাশাপাশি আরও ১২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার তথ্য দেয়া হয়েছে।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট ৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন, যার মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সারাবাংলাকে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত দুজন হলেন- মো. এরশাদ (১৪) ও ইয়াসমিন আক্তার (৪৫)।

বিজ্ঞাপন

কিশোর এরশাদের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায়। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত শুক্রবার তাকে চট্টগ্রাম সরকারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরীক্ষায় তার শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তার মৃত্যু হয়েছে।

হৃদরোগ এবং কিডনি জটিলতা নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এরশাদ কোভিড আক্রান্ত হন বলে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এছাড়া মৃত ইয়াসমিনের বাড়ি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি আগে থেকে যক্ষ্মা রোগে ভুগছিলেন। কোভিড পজেটিভ হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর তাকে শনিবার চট্টগ্রাম সরকারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে ভর্তির পরেই আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়েছে।

রক্তে সংক্রমণজনিত কার্ডিয়াক শকে ইয়াসমিনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।

এর আগে, শনিবার (২১) আগের ২৪ ঘন্টায় নগরীর বাকলিয়ার বাসিন্দা ৭১ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল সিভিল সার্জনের কার্যালয়।

এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ১২টি ল্যাবে ২৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে গত ২৪ ঘন্টায় ১২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জনই
চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস করেন।

এ নিয়ে সরকারি হিসেবে চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৪ জনে, যার মধ্যে ৬৬ জনই নগরীর বাসিন্দা।

মৃত চারজনের মধ্যে একজন নগরীর এবং তিনজন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সারাবাংলা/আরডি/এমপি
বিজ্ঞাপন

আরো