Friday 16 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

খাবারে ‘বিষক্রিয়ায়’ একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৯ জুন ২০২৫ ২০:০৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: অসুস্থ ছেলের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসে মগবাজারের একটি হোটেলে একই পরিবারের তিনজনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- সৌদিপ্রবাসী মনির হোসেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও ছেলে নাঈম হোসেন। খাবার বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার (২৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে তারা মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর পর তাদের পাশের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই বাবা, মা ও ছেলের মৃত্যু হয়। পরিবারটি শনিবার (২৮ জুন) লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকায় এসেছিল ছেলের চিকিৎসার জন্য।

রমনা থানার এসআই জালাল উদ্দিন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল তারা ছেলের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিল। তারা মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে ওঠে। সেখানে তারা গতকাল রাত ও আজ সকালে পাশের ‘ভর্তা ভাত’ নামের একটি হোটেল থেকে খাবার এনে খায়। এর পর সকালে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। হোটেলের স্টাফরা তাদের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর পর সেখানে একে একে তিনজনের মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, মৃত মনির হোসেন সৌদিপ্রবাসী। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের দেহলা গ্রামে। তার বাবার নাম সেরাজুল হক ব্যাপারী। তাদের লাশ ঢাকা আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ সেখানে তাদের সুরতহালসহ আইনিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

চিকিৎসকদের বরাতে পুলিশের এসআই বলেন, ‘চিকিৎসকদের ধারণা, খাবারের কোনো বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হবে।’

হোটেল সুইট স্লিপের সহকারী ম্যানেজার আব্দুল মানিক জানান, গতকাল বিকেলে মনির হোসেন তার প্রতিবন্ধী ছেলে ও তার স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে আসেন। তারা গতকাল সন্ধ্যায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে যান। সেখান থেকে রাতেই হোটেলে আসেন। তাদের সঙ্গে তাদের এক কেয়ারটেকারও ছিলেন। কেয়ারটেকার তাদের দেখাশোনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন হোটেল থেকে খাবার এনে দিতেন। সেই খাবারই তারা খেয়েছেন।

তিনি আরও জানান, তারা কখন অসুস্থ হয়েছেন, তা হোটেলের কেউ টের পাননি। কেয়ারটেকার প্রথমে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যান, এরপর ওই পুরুষকেও নিয়ে যান। তখন হোটেলের সবাই বিষয়টি জানতে পারেন।

সারাবাংলা/ইউজে/পিটিএম