Sunday 25 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ইসকন সম্পৃক্ততার অভিযোগ, চবি শিক্ষকের পদোন্নতি প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

চবি করেসপন্ডেন্ট
৪ জুলাই ২০২৫ ১৭:৩৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের পদোন্নতির প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, ওই শিক্ষক আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) অনুসারী ও ফ্যাসিবাদের দোসর এবং হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি।

শুক্রবার (৪ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

পদোন্নতির প্রক্রিয়ায় থাকা ওই শিক্ষকের নাম কুশল বরণ চক্রবর্তী। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কুশল বরণ চক্রবর্তী।

বিজ্ঞাপন

বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে, লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে, ফরহাদ-তরুয়ার রক্ত, বৃথা যেতে দেব না, ইসকন তুই জঙ্গি, ফ্যাসিবাদের সঙ্গী, কুশল তুই জঙ্গি ফ্যাসিবাদের সঙ্গী- এসব স্লোগান দেন।

এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাঈদ বিন হাবিব সারাবাংলাকে বলেন, ‘জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক অবৈধ নিয়োগ পেয়েছিল এবং অবৈধ নিয়োগ পেয়েছিল, তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছিল এর ব্যতিক্রম। জুলাই আন্দোলনের পর আলিফ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি কুশল বরণকে পদোন্নতি দিতে বোর্ড বসাচ্ছে প্রশাসন। এই কুশল জুলাই পরবর্তী সময়ে দেশবিরোধী চক্রান্তে সরাসরি লিপ্ত। তার পদোন্নতি বোর্ড বাতিল করতে হবে এবং তাকে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোনায়েম শরীফ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, দেশবিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত ফ্যাসিবাদের দোসর কুশল বরণ চক্রবর্তীর পদোন্নতির জন্য বোর্ড বসানো হচ্ছে। কুশল বরণ জুলাই পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ বিরোধী অপতৎপরতা চালিয়েছে। বাংলাদেশ নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। তার পদোন্নতি বোর্ড বাতিল এবং তার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কারও বক্তব্য জানতে পারেনি সারাবাংলা।

সারাবাংলা/এমআর/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো