Monday 19 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘১৪ জুলাই রাতে আমরা কেউ রাজাকার সেজে স্লোগান দিইনি’

ঢাবি করেস্পন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৫ ২১:১৫
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেছেন, ১৪ জুলাই রাতে আমরা কেউ রাজাকার সেজে স্লোগান দিইনি।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ছাত্রদলের ‘গণ অভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা যখন শিক্ষার্থীদের রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন এর প্রতিবাদে আমরা স্লোগান দিয়েছিলাম- ‘তুমি কে, আমি কে, রাজাকার, রাজাকার; কে বলেছে? কে বলেছে? স্বৈরাচার স্বৈরাচার’। আমরা আরও স্লোগান দিয়েছিলাম, ‘কে রাজাকার, কে রাজাকার? তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’।”

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘গতবছরের ১৫ জুলাই বিজয় একাত্তর হলের সামনে যে হামলা হয় তাতে হাতে হাত রেখে লড়াই করেছিল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। আমরা ছিলাম সমন্বয়ক, কিন্তু সত্য এটাই যে, ছাত্রদল-শিবির-বাম সংগঠন-ইসলামি সংগঠনসহ সবাই আমাদের সঙ্গে ছিল। সবাইকে ছাড়া এ অভ্যুত্থান কখনো সফল হতো না।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘দুঃখের বিষয় ছাত্রলীগের বিচারের কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এমনকি বৈষম্যবিরোধী ব্যনারের অনেকের মাঝেও কোনো তৎপরতা দেখতে পারছি না। ছাত্রলীগের বিচার না হলে জুলাই বৃথা।’

জামায়াতে ইসলাম নিয়ে রাকিব বলেন, ‘জামায়াতের ইসলামীর নায়েবে আমিরের ভাগ্নিকে যে বিয়ে করেছে তার নেতৃত্বে আমাদের সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে কুৎসিত স্লোগান দিয়েছে। যদি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় তাহলে উপযুক্ত ভাষায় জবাব দেওয়া হবে।’

ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মেঘমল্লার বসু বলেন বলেন, ‘ঐক্য আমরা চাই। তবে ঐক্য তাদের সঙ্গেই চলে যারা বাংলাদেশপন্থাকে বিশ্বাস করে। একাত্তরের গণহত্যাকারী, কিংবা চব্বিশের গণহত্যাকারী কাউকে ছাড় নয়।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুল, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্র মজলিশ, ছাত্রফ্রন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাইম একশন সোসাইটি , পাহাড়ি ছাত্র পরিষদসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের নেতারা। তবে ছাত্রশিবির কাউকে অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।

সারাবাংলা/কেকে/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো