Thursday 24 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে এবি পার্টির প্রশ্ন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৩
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‎ঢাকা: ‎নির্বাচন পরিচালনায় মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও দৃঢ় অবস্থানের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও প্রশাসন এখনই কঠোর না হলে এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে দেশ আবারও গণ-আন্দোলনের মুখে পড়তে পারে।

‎রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে সিইসির কাছে দলের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

‎আচরণবিধি ও দ্বিমুখী মানদণ্ডের অভিযোগ তুলে ‎মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তারা একেক জেলায় একেক রকম মানদণ্ড ব্যবহার করছেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, “ফেনী-২ আসনে সামান্য কারণে প্রার্থীদের জরিমানা করা হলেও ঢাকা সিটিসহ দেশের অনেক জায়গায় পোস্টার-ব্যানার সরানোর নির্দেশনা মোটেই তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। সেখানে প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নিরব।”

প্রচারণায় বাধা ও হামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বরিশালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ এবং ফেনীর ছাগলনাইয়ায় প্রচারণার সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। এছাড়া সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরার বিষয়ে ইসি এখনও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল, যা স্বচ্ছ নির্বাচনের পথে বড় বাধা।

‎‘ডামি প্রার্থী’ ও অস্ত্র উদ্ধারে ব্যর্থতা প্রসঙ্গে ‎তিনি বলেন, ভোটাররা সমর্থন দিলেও জনসম্মুখে আসতে ভয় পাচ্ছেন। কারচুপির ‘প্রাচীন ধারা’ বজায় রাখতে কিছু প্রার্থী ‘ডামি প্রার্থী’ ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ‎ফেনীর পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে দলটির চেয়ারম্যান বলেন, “৪ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আধুনিক অস্ত্র এবং ৫ আগস্টের পর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চললেও কার্যকর ফল পাওয়া যাচ্ছে না। অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে সেখানে বিশেষ অভিযানের দাবি জানিয়েছি আমরা।”

বিজ্ঞাপন

‎মাঠ পর্যায়ের বিশৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াত বর্তমানে জনপ্রিয় দল। একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি। তবে কোনো কোনো প্রার্থী ব্যক্তিগত জয়ের জন্য সারাদেশের পরিবেশ নষ্ট করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

‎‎এ সময় মঞ্জু আরো বলেন, নির্বাচনের আমেজ তৈরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সুষ্ঠু হওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি আছে। যদি নির্বাচন ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করা হয় এবং ইসি ও প্রশাসন নির্বিকার থাকে, তবে দেশ আরেকটি গণ-আন্দোলনের দিকে যাবে বলেও জানান তিনি।

সারাবাংলা/এনএল/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর