Friday 09 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লাইফলাইন উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি ও রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ডিসিসিআই এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

ঢাকা চেম্বার জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গড়ে প্রতিমাসে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টিইইউ এবং প্রতিদিন গড়ে ৯ হাজার টিইইউ কনটেইনার খালাস হয়ে থাকে। তবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে বন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পণ্য খালাসে বিলম্বের কারণে ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। এই অচলাবস্থার ফলে দেশের রফতানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা দীর্ঘস্থায়ী হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

ডিসিসিআই আরও জানায়, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ বাতিল বা অন্যদেশে স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু বিদেশি ক্রেতা সাময়িকভাবে সময় বাড়াতে সম্মত হয়েছে, তবে সংকট দীর্ঘায়িত হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে পারে।

এছাড়া আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে আমদানি করা পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে স্থানীয় বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার, যা সব শ্রেণির ভোক্তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংগঠনটি মনে করে, বন্দরের এ অনাকাঙ্ক্ষিত অচলাবস্থা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সব খাতে পরিচালন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে উল্লেখ করেছে ডিসিসিআই।

একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে ব্যবসায়ী সমাজ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সব স্টেকহোল্ডারের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর