Wednesday 30 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার নূর আলীর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৮ মে ২০২৬ ১৩:৩২
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: রাজধানীর বনানীতে ডিএনসিসি নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার নূর আলী এবং তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট-এর বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানিলন্ডারিং করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে । এ ঘটনায় মোহাম্মদ নূর আলী ও তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রা. লি. এর বিরুদ্ধে গত ৭ মে বনানী থানায় মামলা দায়ের করেছে সিআইডি।

বিজ্ঞাপন

জসীম উদ্দিন খান বলেন, অনুসন্ধানে জানা যায়, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও অভিযুক্ত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরবর্তীতে সেখানে ফাইভ স্টার হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয়।

তিনি, অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি ও প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করেছে এবং পরবর্তীতে তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলাটির তদন্ত চলাকালীন বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর লন্ডারকৃত অর্থের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এনজে
বিজ্ঞাপন

ডেঙ্গুতে এক মাসে প্রাণ গেল ১৪৮ জনের
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:২৬

আরো

সম্পর্কিত খবর