Tuesday 12 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

৩৫ মিলিয়ন ডলারের ফান্ড নিয়ে যাত্রা শুরু বিএসআইসি’র

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১২ মে ২০২৬ ১৮:১৪ | আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ১৮:১৮

– ছবি : সংগৃগীত

ঢাকা: দেশের স্টার্টআপ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ জোরদারে ৩৫ মিলিয়ন ডলারের ‘ফান্ড-১’ থেকে আগামী চার মাসের মধ্যে একাধিক কোম্পানিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’ (বিএসআইসি)।
প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তিনটি কোম্পানিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এর চেয়ে বেশি সংখ্যক স্টার্টআপ অর্থায়ন পেতে পারে।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
দেশের ৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মকে দেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্সভিত্তিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অংশীদার ব্যাংকগুলো তাদের বার্ষিক নিট মুনাফার ১ শতাংশ এই তহবিলে জমা দেবে। এটি এককালীন বরাদ্দ নয়; বরং ধারাবাহিক মূলধনভিত্তিক একটি কাঠামোর মাধ্যমে তহবিলটি পরিচালিত হবে।
বিএসআইসি জানিয়েছে, দেশীয় স্টার্টআপগুলোর জন্য অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণেও কাজ করছে তারা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল 500 Global, Plug and Play, ADB Ventures, Orbit Startups, Wavemaker Partners এবং Sturgeon Capital।
এছাড়া প্রযুক্তিবিষয়ক গণমাধ্যম Tech in Asia-এর প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিএসআইসি কর্মকর্তারা জানান, নিজস্ব তহবিলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত মূলধন সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। দেশের উদ্ভাবননির্ভর ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোকে সহায়তা দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
যদিও অর্থ বিতরণের চূড়ান্ত নীতিমালা এখনো নির্ধারণ হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিনিয়োগগুলো মূলত ‘ইক্যুইটি’ ভিত্তিতে করা হবে। কৃষি ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।
তবে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপে বিনিয়োগ করবে না বিএসআইসি। কোনো উদ্যোগ ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করে প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা দেখাতে পারলেই সেটিকে বিনিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে। পরবর্তীতে ব্যবসা সম্প্রসারণের বিভিন্ন ধাপে পর্যায়ক্রমে মূলধন সহায়তা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর