Sunday 25 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন চালু রয়েছে: রেলমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:১১ | আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:২০

রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

ঢাকা: বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল না করলেও গড়ে প্রায় ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন চালুর মাধ্যমে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মদের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানান তিনি।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ট্রেন চলাচলসহ দেশের অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগের সামগ্রিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্বটি সংসদে টেবিলে উত্থাপিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সংসদে রেলপথমন্ত্রী বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, বর্তমানে রহনপুর, দর্শনা ও বেনাপোল ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন দিয়ে ভারতীয় মালবাহী ট্রেন বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এবং খালি রেক ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৩টি ভারতীয় গুডস ট্রেন বাংলাদেশে আসছে এবং ৪২টি খালি ট্রেন ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধ থাকা যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় চালু করতে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে মন্ত্রী জানান। এর পাশাপাশি বহুল প্রতিক্ষিত রাজশাহী-কলকাতা-রাজশাহী রুটে সম্পূর্ণ নতুন একটি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনা করার বিষয়টি বর্তমানে নীতিগতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে বলেও তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

একই অধিবেশনে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মোজাহিদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে প্রয়োজনীয় মিটারগেজ ইঞ্জিন ও যাত্রীবাহী কোচের কিছু স্বল্পতা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত সংখ্যক নতুন মিটারগেজ ইঞ্জিন ও কোচ বহরে যুক্ত হওয়া সাপেক্ষে ঢাকা-কুড়িগ্রাম-ঢাকা রুটে মধ্যমেয়াদে এক জোড়া এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও এক জোড়াসহ সর্বমোট দুই জোড়া নতুন আধুনিক আন্তঃনগর ট্রেন চালুর বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তিনি দেশের উত্তরাঞ্চলীয় রেল স্টেশনগুলোর আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে জানান, ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনের স্টেশনগুলো ইতিমধ্যে আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী সেকশনের স্টেশনগুলোকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ সংক্রান্ত কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় নতুন রূপ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের মাধ্যমে চণ্ডীপুর, সফাদারপুর, বগুড়া ও কাহালু স্টেশন পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি সম্পূর্ণ নতুন আরও ৮টি স্টেশন তৈরি করা হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে বগুড়া থেকে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত বিদ্যমান স্টেশনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সারাবাংলা/এফএন/এসএস
বিজ্ঞাপন

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা আজ
২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫২

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৪৬

আরো

সম্পর্কিত খবর