Monday 26 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাইকের সাইলেন্সারে পানি! কিছু জরুরি পরামর্শ

সারাবাংলা ডেস্ক
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৪২

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের প্রায় সব শহরের রাস্তাঘাট সামান্য পানিতেই তলিয়ে যায়। কর্মজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ রাইডার, সবাইকেই বাধ্য হয়ে জলমগ্ন সড়ক দিয়ে বাইক চালাতে হয়। আর এমন পরিস্থিতিতে অন্যতম বড় ভয় হলো বাইকের সাইলেন্সারে পানি ঢুকে যাওয়া। এতে হঠাৎ করে মাঝরাস্তায় বাইক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, স্টার্ট নিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে, কিংবা ইঞ্জিনের শব্দ বদলে গিয়ে এক্সহস্ট দিয়ে অস্বাভাবিক পানি বের হতে পারে। তাই এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদে পড়ে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং ভুল পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেন। তবে সামান্য সচেতনতা ও কিছু নিয়ম মেনে চললে বড় ধরনের ইঞ্জিনের ক্ষতি থেকে বাইক রক্ষা করা সম্ভব।

বিজ্ঞাপন

আসুন জেনে নেই, সাইলেন্সারে পানি ঢুকলে যা করবেন…

জোর করে স্টার্ট দেওয়া বন্ধ রাখুন: সাইলেন্সারে পানি ঢুকে যদি বাইক হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ভুলেও বারবার সেলফ বা কিক দেবেন না। মেকানিকদের মতে, এই অবস্থায় বারবার স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করলে ইঞ্জিনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং পানি ইঞ্জিনের মূল দহন কক্ষে (Combustion Chamber) বা ভেতরের অন্যান্য সংবেদনশীল অংশে পৌঁছে যেতে পারে।

বাইক শুকনো স্থানে সরিয়ে নিন: পানির মধ্যে বাইক স্টার্ট নেওয়ার চেষ্টা না করে দ্রুত ঠেলে উঁচু ও নিরাপদ কোনো শুকনো জায়গায় নিয়ে আসুন।

কিছুক্ষণ আইডল (Idle) অবস্থায় রাখুন: বাইকে খুব সামান্য পানি ঢুকে থাকে এবং তা সহজভাবে স্টার্ট নেয়, তবে বাইক না চালিয়ে এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে ৫-১০ মিনিট আইডলিং বা চালু অবস্থায় রাখুন। ইঞ্জিনের উত্তাপে সাইলেন্সারের ভেতরে জমে থাকা আর্দ্রতা বা পানি বাষ্প হয়ে শুকিয়ে যাবে।

কম গতিতে সতর্ক রাইড: ইঞ্জিন স্বাভাবিক মনে হলে একদম ধীরগতিতে কিছুটা পথ চালান, যাতে বাকি আর্দ্রতাও এক্সহস্টের গরমে পুরোপুরি বের হয়ে যেতে পারে।

অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে ইঞ্জিন বন্ধ করুন: বাইক থেকে যদি কোনো রকম মেটালিক শব্দ, অতিরিক্ত ধোঁয়া কিংবা অস্বাভাবিক কম্পন অনুভব করেন, তবে দেরি না করে সাথে সাথে ইঞ্জিন অফ করে দিন।

বেশি পানির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় শুধু সাইলেন্সার নয়, অনেক সময় বাইকের এয়ার ফিল্টার দিয়েও ইঞ্জিনের ভেতর পানি ঢুকে পড়ার বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তাই বাইক চালু করতে কোনো সংশয় বা সন্দেহ তৈরি হলে নিজে নিজে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে না গিয়ে অভিজ্ঞ কোনো মেকানিকের কাছ নিয়ে সার্ভিসিং করিয়ে নেয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান।

সারাবাংলা/এনএল/এএসজি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর