Tuesday 03 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘বিপ্লবী উদ্যানে থাকবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কর্নার’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:১৬

বিপ্লবী উদ্যান পরিদর্শনকালে চলমান উন্নয়নকাজ ঘুরে দেখেন চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত নগরীর ২ নম্বর গেটস্থ বিপ্লবী উদ্যানকে দৃষ্টিনন্দন, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিপ্লবী উদ্যান পরিদর্শনকালে মেয়র চলমান উন্নয়নকাজ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। এ সময় তিনি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বিপ্লবী উদ্যানের সঙ্গে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানকে এমনভাবে সাজানো হবে, যাতে নগরবাসী বিনোদনের পাশাপাশি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য বিপ্লবী উদ্যানে একটি বিশেষ ইতিহাস কর্নার থাকবে। নতুন প্রজন্ম যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস, আমাদের জাতীয় অর্জন এবং দেশের জন্য যারা অবদান রেখেছেন তাদের সম্পর্কে জানতে পারে—সেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এখানে ইতিহাস তুলে ধরা হবে।’

মেয়র আরও বলেন, ‘বিপ্লবী উদ্যানকে শুধু একটি পার্ক হিসেবে নয়, বরং ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিনোদন ও নাগরিকদের স্বস্তির সমন্বিত একটি নান্দনিক স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। নগরবাসীর হাঁটার জন্য আধুনিক ওয়াকওয়ে, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন করা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ উদ্যান ও উন্মুক্ত স্থানগুলোকে পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করে নাগরিকদের জন্য আরও ব্যবহারবান্ধব করে তোলা হবে।’

পরিদর্শনকালে চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা ও উন্নয়নকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর