Thursday 17 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দেশের সব বিভাগে ৫ দিন টানা বর্ষণের পূর্বাভাস

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৫৮

ছবি: সারাবাংলা

ঢাকা: সারাদেশে তীব্র গরম ও মৃদু তাপপ্রবাহের পরিস্থিতির মাঝেই স্বস্তির বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদফতর। ঢাকা, ফরিদপুর, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা দ্রুত প্রশমিত হতে পারে। একই সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত থাকায় আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। হঠাৎ এই বৃষ্টিপাতের কারণে দেশজুড়ে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তি মিলবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা অর্থাৎ পাঁচ দিনের সম্ভাব্য পূর্বাভাস প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ঢাকার আবহাওয়া অফিস।

বিজ্ঞাপন

পূর্বাভাসে জানানো হয়, উত্তর আন্দামান সাগর এবং তার সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই মৌসুমি বায়ু দেশের ওপর তুলনামূলক কম সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় অবস্থান করছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রথম ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের সিংহভাগ স্থানে এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আগামী শুক্রবার দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় ছিটেফোঁটা বা মাঝারি বর্ষণের সম্ভাবনা রাখা হয়েছে। এরপর শনিবার বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং অন্যান্য বিভাগে আংশিক বৃষ্টি হতে পারে। আগামী রোববার ও সোমবারও সারাদেশে এই বৃষ্টিপাতের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ নামতে পারে।

সাম্প্রতিক আবহাওয়ার চিত্রে দেখা গেছে, গত একদিনে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে, যেখানে পারদ উঠেছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে একই সময়ে সর্বোচ্চ ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ধারণ করা হয়েছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে। রাজধানী ঢাকায় আজ সকাল ছয়টার দিকে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ, যা বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য নির্দেশ করে। বৃষ্টি শুরু হলে বাতাসের আর্দ্রতাজনিত চরম অস্বস্তি ভাব অনেকটাই কেটে যাবে।

সারাবাংলা/এফএন/এমএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর