ঢাবি: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র সম্পদ রয়েছে। দেশের টেকসই উন্নয়নে এই সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য সরকার ‘ব্লু ইকোনমি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র সম্পদ রয়েছে। দেশের টেকসই উন্নয়নে এই সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য ‘ব্লু ইকোনমি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাই বাংলাদেশের মূল সম্পদ। এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রবাসী কর্মীরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস। তাদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। এ জন্য সরকার কারিগরি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুবিধাকে কাজে লাগানোর উপযুক্ত সময়। এই সুযোগ কাজে লাগাতে দেশের জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
চীনের শিল্পকারখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অত্যন্ত নিবিড় ও শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশেও এ ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরি হলে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তা ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং বক্তব্য দেন।