Wednesday 23 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বড় কোম্পানিগুলো একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির লিংকেজে গুরুত্ব দেয় না: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৪৮

ঢাবিতে ‘এমজিআই–এমএএ স্কলারশিপ ২০২৬’ বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

ঢাবি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশে বড় বড় কোম্পানি– ইন্ডাস্ট্রিগুলো, একাডেমিয়ায় ইন্ডাস্ট্রির লিংকেজে (সমন্বয়ে) গুরুত্ব দেয় না।

তিনি বলেন, ‘আমি চায়নাতে দেখে এসেছি, তাদের ইনস্টিটিউটগুলো ইন্ডাস্ট্রির ভেতরেই গড়ে উঠেছে। ইন্ডাস্ট্রির ইঞ্জিনিয়াররা সেখানে গিয়ে কথা বলছে স্টুডেন্টদের সাথে, বাইরে থেকে শিক্ষকরা এসে তাদেরকে পড়াচ্ছে— ইট ইজ অ্যা লিংকেজ। ইন্ডাস্ট্রি শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তাদেরকে পড়াচ্ছে এবং সরাসরি নিয়োগ করছে।’

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘এমজিআই–এমএএ স্কলারশিপ ২০২৬’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ে আশির দশকে ইন্টারন্যাশনাল হোস্টেলে মালয়েশিয়া থেকে ছেলেরা এসে লেখাপড়া করতো। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তখন ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেন’ এর কথা বলছিলেন। বলেছিলেন— যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বে আমাদের যে প্রফেসররা রয়েছেন, তারা যদি পারেন ভ্যাকেশনে এসে আমাদের এখানে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ক্লাস করাবেন।’

তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার মাহাথির বিন মোহাম্মদ, তিনি একই প্রোগ্রাম নিয়ে সফল হয়েছেন। আজ মালয়েশিয়া এডুকেশন হাব। আর আমরা আমাদের স্টুডেন্টকে পাঠাচ্ছি মালয়েশিয়া। আমরা এখন পর্যন্ত ১৯৯২ সালের ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ পরিবর্তন করে ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন’-কে গ্রহণ করতে পারিনি। কিন্তু আমরা কাজ করছি, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে— আমরাও বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব বানাব।‘

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রফেসর হয়ে, ভিসি হয়েও বলে— আমি যদি ছাত্র সংগঠনের সভাপতি থাকতাম, তাহলে বোধহয় ভালো থাকতাম। তাহলে তো সেখানে যাওয়া উচিত ছিল, তাই না? এটাই হলো ডিফ্যাক্ট— যে আমি যেটা করতে চাই না, সেটা জোর করে করি।‘

তিনি বলেন, ‘কাজের প্রতি সন্তুষ্টি থাকতে হবে। কে কী করেছে, সেটা বিষয় নয়; বরং আপনি যে কাজটি করছেন, তাতে আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চিন্তা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এডুকেশন মিনিস্ট্রি সবচেয়ে প্রায়োরিটাইজড মন্ত্রণালয় হবে এবং এই মন্ত্রণালয়কে সবচেয়ে বেশি প্রায়োরিটি দিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। এ বছর আমরা সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ পেয়েছি। এবং এটি জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। আমাদের ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি আমি এআইটিতে এমবিএ ডিপার্টমেন্টে গিয়েছিলাম। আমার চোখ একদম চমকে গেছে। সব স্মার্ট প্রজেক্টে পড়াচ্ছে। আমি কী এমবিএ করলাম আর এখন কী হচ্ছে! ইটস কোয়াইট ডিফারেন্ট। এই নতুন যারা এখন বাইরে থেকে লেখাপড়া শিখে আসবে তারাই শিক্ষকতা ডিপার্টমেন্টে ঢুকে বলবে যে আমি কী পড়েছিলাম আর কী পড়াচ্ছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এতে মার্কেটিং বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের ৯০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার করে মোট ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আমলে অলসতা দূর করার উপায়
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০৯

আরো

সম্পর্কিত খবর