বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই নাকি উঠতি নায়িকা কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে ঘর বাঁধতে চলেছেন বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। উল্লেখ্য গত কয়েক মাস ধরেই কোমল রানিকে কটাক্ষ করে নানা কথা বলছেন গোবিন্দ-পত্নী সুনীতা আহুজা। ‘ঘর ভাঙানি’র খেতাবের পাশাপাশি কোমলের পোশক নিয়েও নানা মন্তব্য করেছেন সুনীতা। যদিও এতদিন এসব নিয়ে চুপচাপ ছিলেন কোমল, এবার সুনীতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন গোবিন্দর চর্চিত প্রেমিকা!
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে ফের চর্চায় কোমল ও গোবিন্দর সম্পর্ক। সূত্রপাত মুম্বাইয়ের লালবাগচা রাজার গণপতি দর্শনে চর্চিত প্রেমিকা কোমল রানিকে নিয়ে হাজির হন গোবিন্দ। আর সেখানেই কোমল রানিকে সিঁথিতে সিঁদুর পরা অবস্থায় দেখা যেতেই ফিসফাস শুরু। এর মাঝে কলকাতায় ঘুরে গেলেন গোবিন্দপত্নী সুনীতা আহুজা। কলকাতায় এসে কালী মন্দিরে পুজা দেওয়ার পর তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করেন, ‘কোনও কারণ ছাড়াই আমার সংসার ভাঙতে বসেছে’।
এদিকে, গত কয়েক মাস ধরে সুনীতার একতরফা কটাক্ষ নিয়ে এবার পাল্টা উত্তর দিলেন কোমল। তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে দাবি করেন, তিনি কারো ঘর কেন ভাঙবেন, এই ঘর আগে থেকেই ভাঙা। শুধু তাই নয় কোমল দাবি করেন অভিনেতার স্ত্রীই নিজেই তাকে মারা চেষ্টা করছেন।
কোমলের কথায়, ‘যে মহিলা বছরের পর বছর ধরে নিজের স্বামীকেই খুন করার চেষ্টা করেন, তার অভিশাপ কারও ক্ষতি করতে পারে না। তাই ভেঙে যাওয়া একটি সংসার কেউ ভাঙতে পারে না।’
এর পর তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ এতটা বোকা নন যে কেউ শুধু বলে দিলেই তারা কাকের পেছনে ছুটবেন।’ তার অভিযোগ, ওই মহিলা নিজের ব্যক্তিগত যন্ত্রণা নিরাময়ের চেষ্টা না করে সেটিকে প্রকাশ্যে তুলে ধরতেই যেন বেশি আগ্রহী।
এই প্রসঙ্গে কোমল প্রশ্ন তোলেন, ‘আমি বুঝতে পারি না, একজন মহিলা ঠিক কী ধরনের যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে সেই যন্ত্রণা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা না করে তিনি সেটিকে প্রকাশ্যে তুলে ধরতে আনন্দ পাচ্ছেন। এটা কি সত্যিই যন্ত্রণা, নাকি সুচিন্তিত কোনও ষড়যন্ত্র?’
অভিযোগের সুর আরও চড়িয়ে তিনি দাবি করেন, ‘তিনি একজন পুরুষকে নিয়মিত মানসিকভাবে হেনস্থা করেছেন, তাকে কাজ করতে দেননি। বাড়িতে বসিয়ে রেখে একেবারে একা করে দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া— এমন আচরণ কোনও ভলো স্ত্রী করতে পারেন বলে আমি মনে করি না।’ কোমল দাবি করেন এতদিন যেটা তিনি বাড়ির অন্দরে করতেন সেটা বাইরে বলে বেরিয়ে সহানুভূতি কুড়োনোর চেষ্টা করছেন। কোমলের এ হেন মন্তব্যের অপরপক্ষের পাল্টা প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত আসেনি।