ঢাকা: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাগিদ দেন।
কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নির্বাচনের আগের দিন ও ভোটগ্রহণের দিন পুরো সময়জুড়ে কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে। কেবল ক্যামেরাই চালু রাখা নয়, পরবর্তীতে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সেজন্য ধারণকৃত যাবতীয় ভিডিও ফুটেজ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপদে সংরক্ষণেরও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়, আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই শূন্য আসনের নির্বাচনে যেসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ভবন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেগুলোতে টানা দু’দিন সিসি ক্যামেরা সক্রিয় থাকবে।
এদিকে, ঘোষিত নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন, যা নিষ্পত্তি করা হবে ৬ অক্টোবর। এরপরের দিন অর্থাৎ ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ শেষে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। সবশেষে ২৯ অক্টোবর ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্ক্ষিত ভোটগ্রহণ।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এই উপনির্বাচনে বিএনপির দু’জন প্রার্থীসহ মোট ছয়জন তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। সম্প্রতি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে কমিশন ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করায় ভোটের মাঠ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।