Thursday 01 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ছিনতাইয়ের পর ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের মৃত্যু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৫৯ | আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৫১

রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ছিনতাইয়ের পর চলন্ত ট্রেন থেকে এক যুবককে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরুতর আহত ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘটে। পরে পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

ওই যুবকের নাম হাফিজুর রহমান (২৫)। তার বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরচিংগুরি গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আব্দুর রহমান শেখ। গাজীপুরের জয়দেবপুরে শৈলদা নামক একটি একটি রিসোর্টে চাকরি করতেন হাফিজুর। তার স্ত্রী মুক্তা আক্তার ও এক সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই পথচারী ওই যুবককে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়। প্রথমে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। আজ দুপুরে তার পরিচয় শনাক্ত হয়।

হাসপাতালে পথচারী ফয়েজ জানান, সন্ধ্যার দিকে কুর্মিটোলা হাসপাতালের পেছনে রেললাইনের ধারে মানুষের জটলা দেখে এগিয়ে যাই। সেখানে ওই যুবককে রক্তাক্ত আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তখন স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারি কমলাপুরগামী একটি চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীরা ওই যুবকের ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তাকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এরপর তাকে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

নিহত হাফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হোসাইন শেখ জানান, বুধবার ছুটিতে গাজীপুর থেকে বাগেরহাট যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিলেন হাফিজুর। সাধারণত জয়দেবপুর থেকে ট্রেনে করে ঢাকার কমলাপুর আসেন। এরপর সায়দাবাদ থেকে বাসে করে গ্রামের বাড়িতে যান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর শুনতে পান তারা। পরবর্তীতে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা মেডিকেলে হাফিজুরের মরদেহ শনাক্ত করেন।

এদিকে, ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদির-উজ-জামান জানান, কুর্মিটোলা এলাকায় ট্রেন থেকে পড়ে এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছেন। প্রথমে ওই যুবক অজ্ঞাত অবস্থায় ছিলেন। পরে তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তবে তাকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বা কীভাবে পড়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএসআর/এমএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর