Sunday 04 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

উপকূলীয় ১৪ জেলার সুরক্ষায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:১০ | আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৪১

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: উপকূলীয় ১৪ জেলার ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা, বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প আগামী অর্থবছর থেকে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে রোববার (০৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমের নেতৃত্বে নয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে ‘বাংলাদেশ স্ট্র্যাটেজিক ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (ফ্লাড এমপিএ)’ এবং ‘কোস্টাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় বাস্তবায়নাধীন কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের জন্য শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নত জীবন নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, বিশেষ করে উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৈঠকে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবিলায় পানি শোধন ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

এর মাধ্যমে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

বৈঠকে পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর