পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এর ফলে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল ‘পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ’ (পিটিআই)-এর নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক সরকারের কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে পড়েছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সংবিধানের দুটি ধারার অধীনে রোববার (১১ অক্টোবর) এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি মন্ত্রিসভার সুপারিশ অনুমোদন করেছেন। এর আগে এদিন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন এবং ‘সন্ত্রাসবাদ দমনের লড়াই থেকে প্রাদেশিক সরকারের ইচ্ছাকৃতভাবে সরে আসার’ বিষয়টি আমলে নিয়েছেন।
এমন এক সময়ে এই ঘটনাটি ঘটল যখন পিটিআই রাজধানী ইসলামাবাদের অভিমুখে একটি পদযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো ইমরান খানের মুক্তি দাবি করা-যিনি তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকলেও এখনও দেশজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তার অধিকারী।
ডন এর খবরে বলা হয়েছে, তেহরিক–ই–ইনসাফের (পিটিআই) লংমার্চ ঘিরে পাকিস্তানে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে ক্ষমতাসীন জোটের দুই প্রধান শরিক-পিএমএল-এন ও পিপিপির শীর্ষ নেতারা গতকাল শনিবার অশান্ত খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশকে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। এ জন্য সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির বিধানকে কাজে লাগানো হবে।
খাইবার পাখতুনখাওয়ায় কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ক্ষমতায়। গতকাল শনিবার (১০ অক্টোবর) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এ নিয়ে দিনভর নানা রাজনৈতিক তৎপরতা দেখা গেছে।