ফটক টপকে যন্তর মন্তরে ঢোকার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে মন্দির মার্গ থানায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হলে তাদের জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
সিজেপির অন্য নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত হলো, তিনি শান্তি ভঙ্গ করতে পারবেন না।
সিজেপির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং নেতাদের একজন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের (এসইএম) সামনে হাজির করার কথা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পরই এই ঘটনাটি ঘটে। সিং জানিয়েছেন, সিজেপির জাতীয় সংগঠন বিষয়ক দায়িত্বে থাকা অজিঙ্ক শিন্ডেকে ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ বুধবার আগেই জানিয়েছিল, ওই তিনজনকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে আশুতোষ, সৌরভ ও অজিঙ্ক পুলিশের চোখ এড়িয়ে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন। সেখানে প্রবেশের পর দাস, রাঙ্কা ও শিন্ডেকে আটক করা হয়। কারণ এর ঠিক আগের দিনই ওই স্থানটিতে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
দিনভর আটক রাখার পর গভীর রাতে সিজেপি নেতাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। সিজেপির অভিযোগ, ওই দীর্ঘ সময় সিজেপি নেতাদের সঙ্গে আইনজীবীদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তাদের ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বুধবার সকালে সবাইকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়।
সিজেপি নেতাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর খবর পেয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও সরব হন। আজ বুধবার বেলা ১১টায় ‘এক্স’ হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোটা কোনো অপরাধ নয়। সে জন্য তরুণদের জেলে পাঠানোটা কাপুরুষতার লক্ষণ।’
রাহুল ওই বার্তায় লেখেন, ‘ছাত্র, যুবা, সাংবাদিক, ইন্ডিয়া জোট-ব্যানার ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য এক। সবার বিক্ষোভই এক। নাগরিকেরা তাদের সাংবিধানিক অধিকার চাইছে। যন্তর মন্তর এ দেশের জনগণের। আমরা ফের তা উদ্ধার করব।’