Saturday 17 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
১৭ অক্টোবর ২০২৬ ২২:২৭ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৩০

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা প্রবাসীদের জন্য বড় শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের যে দেশেই থাকুন না কেন, সেই দেশের আইন মেনে চলতে হবে। তবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পায়নি বাংলাদেশ সরকার।’

শনিবার ১৭ (অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশকে জানানো হয়েছিল কি না, জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘সরকার এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানতে পারেনি। বিস্তারিত তথ্য জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবে বাংলাদেশ মিশনের শ্রম উইং থেকে পাওয়া তথ্যমতে, মক্কার একটি মসজিদের অভ্যন্তরে অনৈতিক ও অশালীন কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ ছিল ওই দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে। সৌদি আইনে এটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।’

দেশটির আইন অনুযায়ী আদালত তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পায়নি। এ কারণে দুজনের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সৌদি আরবের একটি নিজস্ব আইনি কাঠামো আছে। সেই আইনি কাঠামো অনুযায়ী কেউ যদি গর্হিত অন্যায় কাজ করে, তখন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সেই আইন অনুযায়ী সাজা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা।’

সৌদি কর্তৃপক্ষ চিঠির জবাব দিলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) গত বুধবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য জানায়। ওই দুই বাংলাদেশি হলেন— নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক ও অশালীন কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সৌদি নিরাপত্তাবাহিনী তাদের গ্রেফতার করেছিল। প্রাথমিক তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে আদালতে পাঠানো হয়। শরিয়াহ আইনের অধীন ‘তাআজির’ বা বিচারকের স্বেচ্ছাধীন শাস্তির বিধানে আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর