খুলনা: খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সাবেক কাউন্সিলর মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু ও তার স্বামী খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদি হয়ে মামলা তিনটি এবং উপ-সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদি হয়ে অপর দু’টি মামলা দায়ের করেন। এ ছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভাণ্ডার ও তার স্ত্রী ডলি ভাণ্ডারের বিরুদ্ধে আরও দু’টি মামলা হয়েছে।
প্রথম মামলায় সাবেক এমপি মো. রশীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মো. ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে দলীয় পদ ব্যবহার করে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া স্বামীর সহায়তায় নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩৬ লাখ ৯১ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনপূর্বক নিজ মালিকানায় রাখার কারণে সাবেক কাউন্সিলর মেমরী সুফিয়া রহমান শুনুর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেছে দুদক। এই মামলায় স্ত্রীর নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করায় তার স্বামী ফারুক আহমেদকেও আসামি করা হয়েছে।
অন্য দু’টি মামলায় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভাণ্ডারের বিরুদ্ধে ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন এবং স্বামীর অর্জিত ১ কোটি ৮ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ নিজ মালিকানায় রেখে ভোগদখল করায় বিধান কুমারের স্ত্রী ডলি ভাণ্ডারের বিরুদ্ধেও পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে। একটি মামলায় ডলি ভাণ্ডার এবং দু’টি মামলায় বিধান কুমার ভাণ্ডারকে আসামি করা হয়েছে।