Wednesday 04 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও ডেমোক্র্যাটদের হাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৩:২৬ | আপডেট: ৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৩:২৭

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। গেটি ইমেজেস।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নিয়ন্ত্রণ পেল ডেমোক্র্যাটরা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটরা ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে ২২০ আসনে জয় পেয়েছে। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানরা পেয়েছে ১২৬ আসন।

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে ২৫টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেতে প্রয়োজন ২১৮ আসন।

প্রায় দুই দশকের মধ্যে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং সিনেট উভয় কক্ষেই এটিই হতে যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের বৃহত্তম সংখ্যাগরিষ্ঠতা।

বিজ্ঞাপন

মেইন, আইওয়া, কানসাস, ওহাইও, নর্থ ক্যারোলিনা, সাউথ ক্যারোলিনা এবং টেক্সাস রিপাবলিকানদের দখলে থাকা ছয়টি আসন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। এসব অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটিতে ট্রাম্প নিজেই প্রার্থী বাছাই করেছিলেন। সেসময় তার দলের অনেক সদস্যই আপত্তি জানিয়েছিলেন যেতাদের আশঙ্কা ছিল, সাধারণ নির্বাচনে এসব প্রার্থী দুর্বল প্রমাণিত হতে পারেন।

রিপাবলিকানদের জন্য যে নির্বাচনের রাতটি কঠিন হতে যাচ্ছে, তার প্রথম ইঙ্গিত পাওয়া যায় সাউথ ক্যারোলিনা থেকে। অনেক ডেমোক্র্যাটও মনে করেছিলেন যে, এই অঙ্গরাজ্যটি তাদের নাগালের বাইরে। কিন্তু সব জল্পনা কল্পনাকে ভুল প্রমাণ করে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের ঘাঁটির গভীরে প্রবেশ করে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছেন। যা ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের অর্জনের চেয়েও অনেক বেশি।

এনবিসি নিউজের ‘এক্সিট পোল’ বা ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসা ভোটারদের ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন যে, ট্রাম্পের প্রতি বিরোধিতা প্রকাশের জন্যই তারা এভাবে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনের দিন ট্রাম্পের কাজের প্রতি জনসমর্থনের হার গত প্রায় দুই দশকের মধ্যে যা যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের তুলনায় সর্বনিম্ন।

৭১ শতাংশ ভোটার যার মধ্যে ৪১ শতাংশ রিপাবলিকানও রয়েছেন তারা মনে করেন, ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের ওপর কংগ্রেসের পর্যাপ্ত তদারকি নেই। এছাড়া দুর্নীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, অভিবাসন এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতিও ছিল নির্বাচনে ট্রাম্পকে প্রত্যাখান করার অন্যতম প্রধান ইস্যু।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর