Sunday 01 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে আইসিসি প্রধান

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৬ নভেম্বর ২০২৪ ১৮:০৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কক্সবাজার: মিয়ানমারের রাখাইনে ২০১৭ সালে গণহত্যার পাশাপাশি ২০২৪ সালে রাখাইনে চলমান গণহত্যার বিচারেরও দাবি জানিয়েছে রোহিঙ্গারা।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সফররত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানের সঙ্গে বৈঠককালে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতারা এ দাবি জানান।

উখিয়া কুতুপালং এক নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কমিউনিটি নেতাদের সাথে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলির এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সংঘটিত গণহত্যার বিষয়ে তিনি কথা বলেন।

রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতারা জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক জান্তা যে রকম গণহত্যা চালিয়েছে, ২০২৪ সালে একই রকম গণহত্যা চালাচ্ছে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সামরিক জান্তা বাহিনী। আইসিসির প্রধান কৌঁসুলিকে তারা চলমান গণহত্যার বিষয়ে জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে মঙ্গলবার সকালে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে করছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খান। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তিনি ১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছান। এরপর ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। তার সাথে রয়েছেন ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ এবং প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান জানান, ‘আইসিসি প্রধান প্রসিকিউটর সোমবার (২৫ নভেম্বর) কক্সবাজার পৌঁছান। মঙ্গলবার সকালে তিনি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় অবস্থিত এক ও চার নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা বিতাড়নে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে আইসিসির তদন্তের খোঁজ নিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে এসেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে করিম খানের এটা তৃতীয় বাংলাদেশ সফর।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর রাখাইন থেকে মিয়ানমার সেনারা রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে কি না, সেটির তদন্ত করছে আইসিসি।

উল্লেখ্য, রোম সনদের স্বাক্ষরকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। মানবতা বিরোধী অপরাধ তদন্তে সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশে কাজ করার বিষয়ে একটি সমঝোতা সই করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। তবে রোম সনদে সই করেনি মিয়ানমার।

সারাবাংলা/এইচআই