Tuesday 29 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বেরোবির নাম অপরিবর্তিত রাখার দাবিতে মহিলা পরিষদের স্মারকলিপি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট 
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:৪৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) নাম অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির সভাপতি ড. ফাওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানুর সই করা ওই স্মারকলিপি শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই স্মারকলিপির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশিনের চেয়ারম্যানের কাছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানিয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি জানিয়েছে। আমরা জানি, ২০০৮ সালে এই বিশ্ববিদ্যায়টির যাত্রা শুরু হয়। বাংলার নারী জাগরণের আলোকবর্তিকা, নারী শিক্ষার অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম রংপুরে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে নামকরণ করার মাধ্যমে নারী সমাজের দীর্ঘদিনের আকাঙ্খা ও দাবি বাস্তবায়ন হয়।

বিজ্ঞাপন

এতে আরও বলা হয়, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজের অচলায়তন ভেঙে নারীদের আলোর পথের সন্ধান দিয়েছেন। তিনি সমাজের অবরোধ ভাঙার জন্য, নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য, নারীর মুক্তির জন্য আজীবন যে সংগ্রাম করে গেছেন তারই ফলশ্রুতিতে অজ লাখ লাখ নারী শিক্ষা, খেলাধুলা, জ্ঞান চর্চাসহ বিভিন্ন পেশায় এসে সমাজ ও দেশের জন্য অবদান রাখতে পারছে। সমাজে নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠার এই স্বপ্নদ্রষ্টার নামে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তেনের জন্য যে দাবি উঠেছে, তা নারী সমাজের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। বেগম রোকেয়ার নাম পরিবর্তনের দাবিটি অযৌক্তিক ও অসম্মানজনক। এই দাবি উঠায় নারী সমাজ বিস্মিত ও আহত।’

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারী শিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম অপরিবর্তিত রাখার জন্য দাবি জানাচ্ছে। এ ছাড়াও নারী মুক্তির অগ্রসেনানী মহিয়সী নারীদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সকল স্থাপনা রয়েছে, যা কিনা আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস, সেগুলোর নামও অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

সারাবাংলা/ইএইচটি/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো