Tuesday 29 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রংপুরে বিষাক্ত রেকটিফাইড স্পিরিট ব্যবসায়ীর মৃত্যু

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৪০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রংপুর: রংপুর মেডিকেল কলেজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রেকটিফাইড স্পিরিট পানের ঘটনায় জড়িত মাদক কারবারি জয়নুল আবেদিন (৪৬)। তিনি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এদিকে এই স্পিরিট পানে মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী জানান, জয়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে মাদক ও হত্যা মামলা ছিল। সোমবার (১২ জানুয়ারি) তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার বিকেলে বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হৃদরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিজ্ঞাপন

এর আগে রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩০), বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) এবং সদর উপজেলার শ্যামপুর শাহ পাড়ার জেনতার আলী (৪১/৩৫) নিজ বাড়িতে মারা যান। তারা জয়নুল আবেদিনের কাছ থেকে স্পিরিট কিনে পান করেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রংপুর সদরের শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৬০), শ্যামপুর বন্দর কলেজ পাড়ার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম এবং গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মালেক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে কিশমত বসন্তপুর নয়াপাড়া গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে জয়নুল আবেদিনের কাছ থেকে স্পিরিট কিনে তারা পান করেন। পুলিশ তার বাড়ি থেকে ১০ বোতল স্পিরিট উদ্ধার করে এবং বদরগঞ্জ ও হাজিরহাট থানায় পৃথক মামলা দায়ের করে।

রংপুর পুলিশ সুপার মারুফাত হোসাইন জানান, স্থানীয় হোমিওপ্যাথিক চেম্বার থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা এই স্পিরিট সংগ্রহ করে। নগরীর একটি হোমিও চেম্বারে গোয়েন্দা পুলিশ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর যৌথ অভিযান চালিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং অভিযান চলমান।

জানা যায়, রেকটিফাইড স্পিরিট (৯৫ দশমিক ৬ শতাংশ ইথাইল অ্যালকোহল) শিল্প ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অবৈধভাবে মিথানল মিশিয়ে মদ্যপানের জন্য বিক্রি হয়। মিথানল বিষক্রিয়ায় অন্ধত্ব, অঙ্গ বিকল ও মৃত্যু ঘটে। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা ঘন ঘন ঘটে। রংপুরে অবৈধ স্পিরিটের কারবার দীর্ঘদিনের, যা হোমিও চেম্বারের অপব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত।

বিজ্ঞাপন

৩ জেলায় নতুন ডিসি, একজনকে বদলি
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:২৯

আরো

সম্পর্কিত খবর