নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামি সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্বর ফের ৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপুর চৌকি আদালতের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল আমিন ভূঁইয়া এ আদেশ দেন।
রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ।
এর আগে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার (১৯ অক্টোবর) একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল একই আদালত।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া আটটার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের তেলুনজিয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ির কাছের একটি দোকানের সামনে গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে ছয়টি গুলি করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকার পুরোনো সিনেমা হলের পাশ থেকে অপূর্বকে গ্রেফতার করে। তিনি পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার শমশের আলীর ছেলে।
ওসি শাকের আহমেদ বলেন, এরই মধ্যে অপূর্বকে জিজ্ঞাসা করে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু বলা যাচ্ছে না।
পুলিশের দাবি, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের সময় অপূর্ব সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং সেই সময় অস্ত্রভর্তি একটি ব্যাগ তার হেফাজতে ছিল।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপূর্ব বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার অপূর্ব এবং হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে। ওই ব্যক্তি একজন পেশাদার খুনি হিসেবে পরিচিত এবং তার ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলো অপূর্বের হেফাজতে রাখা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।