সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আকরাম সরকার (২০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত মারুফ বিন হাবিব তালুকদারকে ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগের পাশাপাশি একাধিক নারীকে বিয়ে, বৈবাহিক তথ্য গোপন, লাখ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়া এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
তথ্য অনুসন্ধানী জানা যায়, গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) উপজেলার পূর্ণিমাগাতী ইউনিয়নের খোশালপুর এলাকায় আকরামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে মারুফের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোনে ডেকে নেওয়ার পর আকরামকে হত্যা করা হয়। পরে বাড়ির পেছনে তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
হত্যাকাণ্ডের পর মারুফের বিরুদ্ধে একাধিক নারী অর্থ ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, বিয়ের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা তানজিনা আক্তারের দাবি, ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মারুফের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি সংসারের ব্যয় ও মারুফের ব্যক্তিগত খরচ বহন করেন। একপর্যায়ে বিয়ের তথ্য গোপন, শারীরিক নির্যাতন, গর্ভপাতের চাপ ও হুমকির অভিযোগ তোলেন তিনি। তানজিনার দাবি, তার প্রায় ১৩ লাখ টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালংকার নানা সলছুতুরির মাধ্যমে নিয়েছে। অন্য এক নারীও তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
এদিকে আকরাম হত্যার কারণ সম্পর্কে অভিযুক্ত মারুফের দায় শিকার করে তিনি জানান, আকরাম তার মা-বাবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছিলেন। তাই এই খুনের পথ বেছে নিয়েছেন।