Thursday 29 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চট্টগ্রামকে ক্লিন সিটি হিসেবে গড়তে চসিককে নির্দেশনা মেয়রের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৩৩

চসিক কার্যালয়ে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মেয়রের সমন্বয় সভা।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্ন বিভাগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

মেয়র বলেন, ‘সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে হঠাৎ করে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এ ধরনের বৃষ্টিতে যাতে জলাবদ্ধতা ‍সৃষ্টি না হয় সেজন্য পানিপ্রবাহের পথ যাতে নির্বিঘ্ন থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে প্রাকৃতিকভাবে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। নগরীর ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নয়নে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো তথা হটস্পটগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। কোতোয়ালী, হালিশহর, বন্দর, আকবরশাহ, বাকলিয়া ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি অনুযায়ী বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের গতি বাড়াতে হবে। নগরীতে কোথাও ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেলে সে এলাকায় যাতে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত বৃদ্ধি রোধ করা যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

মেয়র আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামে উৎপাদিত বর্জ্যের একটি অংশ খাল-নালায় চলে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যত্রতত্র ময়লা ফেলা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।’ নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা যখন বাসায় ময়লা সংগ্রহ করতে যাবেন, নিয়মিত তাদের কাছে বর্জ্য হস্তান্তর করবেন। এতে রাস্তা ও ড্রেন পরিষ্কার থাকবে, মশার উপদ্রব কমবে এবং নগর পরিবেশ সুস্থ থাকবে।’

তিনি জানান, চসিকের দু’টি বর্জ্যাগারে জমাকৃত বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, গ্রিন ফুয়েল ও জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে নগরীর আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

এ ছাড়াও মেয়র বলেন, ‘ক্লিন সিটি বাস্তবায়ন কেবল পরিচ্ছন্ন বিভাগের দায়িত্ব নয়; এটি নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ দায়িত্ব। শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করা গেলে জলাবদ্ধতা কমবে, পরিবেশের মান উন্নত হবে এবং চট্টগ্রাম একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।

সারাবাংলা/এসএন/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর