Thursday 24 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ডাকসু নির্বাচন / গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ ছাত্রদলের ভিপিপ্রার্থীর

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
২২ আগস্ট ২০২৫ ১৮:২৫
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ’সহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের ভিপিপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এসব নোংরামির বিরুদ্ধে সত্য লিখে পোস্ট দিলে সেগুলো ডিলেট করে দিচ্ছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে জুমার নামাজ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে এ বিষয়ে কট্টর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল বলেছি, আমার সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ চাইলে ডাকসুতে প্রার্থী হতে পারতেন। কারণ তারা বর্তমান ছাত্র। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা অনুযায়ী যাদেরকে দেওয়ার চাহিদা ছিল, তারা তাদেরকে দিয়েছেন ভোটাভোটির মাধ্যমে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘পরে দেখলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হলো, আমি নাকি বলেছি, ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ইচ্ছা করলেই ভিপি-জিএস হতে পারবে না। অর্থাৎ ভোট ছাড়াই। এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।’

আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন, শঙ্কিত। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপতথ্য দিয়ে যা করছে, ইচ্ছা করলেও আমরা সে নোংরামি করতে পারব না। নোংরামির বিরুদ্ধে আমরা যে পোস্ট দিচ্ছি (অনলাইন গ্রুপে), সেগুলো ডিলিট করে দেওয়া হচ্ছে। প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়কে কট্টরভাবে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।’

এসব প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি নির্বাচনের পরিবেশ দেখছেন না বলেও জানান।

তিনি বলেন, ‘অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে প্রপাগান্ডা বাহিনী, এগুলো বন্ধ করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানে, ৫ আগস্টের পর প্রতি ক্যাম্পাসে কারা প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে। কারা বিভিন্ন সংগঠনগুলোকে রাজনীতি নিষিদ্ধের নাম মব তৈরি করেছে? আপনারা এগুলো বিচার বিশ্লেষণ করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিহাইন্ড দ্যা সিন থেকে ফটোকার্ড বানাচ্ছেন, এগুলো পুরোটাই বিকৃত মস্তিস্কের চিন্তা-ভাবনা। এগুলো থেকে বেরিয়ে আসেন। সুস্থ কোনো মানুষ এই অপপ্রচারে লিপ্ত হতে পারে না।’

সারাবাংলা/কেকে/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর