বলিউডের আলো ঝলমলে কিন্তু কখনো কখনো বিষয়গুলো আমাদেরকে হালকা হাসির মধ্য দিয়ে ভাবায়। সম্প্রতি এক পডকাস্টে পাকিস্তানি মুফতি আবদুল কাভির করা মন্তব্য সেটির উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি প্রকাশ্যে বললেন, তিনি চান ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন যদি অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন, তবে তিনি ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করবেন।
পডকাস্টে নতুন বিতর্ক
মুফতি আবদুল কাভি দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য পরিচিত। এবার এক পডকাস্টে তিনি বললেন, ‘তাদের দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হলে ঐশ্বরিয়া নিজেই আমাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন।’ কথাগুলো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
মজার বিষয় হলো, মুফতি নিজেই বলেছেন তিনি চাইবেন না যে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ হোক। তবে তার কথায় যদি সত্যিই এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে তিনি আশা করছেন ঐশ্বরিয়া তার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত ও নাম পরিবর্তনের মন্তব্য
বিতর্ক আরও বাড়িয়েছেন মুফতি, যখন বলেছেন যে, তিনি ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করবেন এবং নাম পরিবর্তন করে রাখবেন ‘আয়েশা রাই’। মুফতি বলেন, ‘তার মতো একজন সুন্দরী যদি নিজের নাম হিসেবে ‘আয়েশা রাই’ লিখেন, এটা সত্যিই মজার হবে।’
এই মন্তব্যটি অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ও হাসির খোরাক হিসেবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই বলছেন, এটি যেন একটি বেলুনের মতো—উড়ছে, কিন্তু বাস্তবে স্পর্শ করা খুবই অসম্ভব।
বলিউড থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত সমালোচনা
মুফতির এই মন্তব্যের পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে বলিউডে এবং পাকিস্তানসহ বিভিন্ন মিডিয়ায়। তবে ঐশ্বরিয়া বা অভিষেকের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হয়তো তারা ইতোমধ্যেই এই হালকা-ফুলকা বিতর্ককে উপভোগ করছেন— হাসছেন, কিন্তু কিছু বলছেন না।
সফট বিনোদনের দৃষ্টিকোণ
যে কেউ বলিউড প্রেম বা বিয়ের গল্প পছন্দ করে, তাদের জন্য এটি এক ধরনের ‘হালকা কৌতুক’। বাস্তবে এ ধরনের ঘটনা হওয়া যেমন অসম্ভব, তেমনি এটি আমাদের নেটিজেনদের হাসির মধ্য দিয়ে বলিউড এবং পাকিস্তানের বিনোদন জগতে একরকম আলাদা আলো ঢোকাচ্ছে।
মজার দিক হলো, মুফতির মন্তব্যগুলি যেন আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, কিছু বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত সিরিয়াস হওয়াও অদ্ভুত। কখনও কখনও জীবনেও কিছুটা হিউমার থাকা জরুরি—অবিশ্বাস্য গল্পগুলোও মন খুলে উপভোগ করার মতো।
সাম্প্রতিক রসদ
এই বিতর্কের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা মজার মিম তৈরি করছে। কেউ ঐশ্বরিয়াকে ‘নতুন আয়েশা’ বানাচ্ছেন ছবি দিয়ে, কেউ আবার মুফতির মন্তব্যকে সিনেমার ডায়লগের মতো হালকা রূপ দিচ্ছেন।
বলিউড ও আন্তর্জাতিক বিনোদনের এই ধরনের ছোট ছোট ঘটনা আমাদের হাসায়, চিন্তায় ফেলে, এবং কখনও কখনও মনে করিয়ে দেয়, শিল্পী ও সাধারণ মানুষের জীবন সবসময় এত সিরিয়াস নয়।
শেষে বলিউডের হালকা হাসির পাঠ
যদি কখনও আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বিয়ে-অফার মজার’ পোস্ট দেখেন, হয়তো মুফতি আবদুল কাভির সেই মন্তব্যই উৎস। হ্যাঁ, এটি বিতর্ক তৈরি করেছে, কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এটি আমাদের হালকা বিনোদনের জন্য। বলিউডের জগতে প্রেম, বিয়ে আর বিতর্ক সবসময় এক সঙ্গে থাকে, আর আমরা শুধু কৌতুক ও হাসি উপভোগ করি।