Monday 19 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

মার্শাল আর্ট কিংবদন্তি চাক নরিসের বিদায়

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
২২ মার্চ ২০২৬ ১৫:১৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আশির দশকের রুপালি পর্দার অপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাকশন হিরো এবং সাবেক কারাতে চ্যাম্পিয়ন চাক নরিস আর নেই। গত বৃহস্পতিবার ৮৬ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই কালজয়ী তারকা। শুক্রবার তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই বেদনাদায়ক খবরটি নিশ্চিত করা হয়। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তার পাশেই ছিলেন এবং তিনি অত্যন্ত শান্তিতে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। তবে এই কিংবদন্তি অভিনেতার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তার প্রয়াণে বিশ্বজুড়ে মার্শাল আর্ট অনুরাগী এবং হলিউড সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

চাক নরিস কেবল একজন অভিনেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের মার্শাল আর্ট চ্যাম্পিয়ন। ১৯৬০-এর দশকের শেষভাগে তিনি একের পর এক কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন। মার্শাল আর্টের আরেক কিংবদন্তি ব্রুস লির সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল প্রবাদপ্রতিম। ১৯৭২ সালে ব্রুস লির কালজয়ী সিনেমা ‘দ্য ওয়ে অফ দ্য ড্রাগন’-এ অভিনয় করে তিনি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। পর্দার সেই লড়াই আজও দর্শকদের রোমাঞ্চিত করে। পরবর্তী দুই দশকে তিনি ‘ইনভেসন ইউএসএ’ এবং ‘দ্য ডেল্টা ফোর্স’-এর মতো অসংখ্য ব্লকবাস্টার অ্যাকশন সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। এছাড়া ‘ওয়াকার, টেক্সাস রেঞ্জার’-এর মতো জনপ্রিয় টিভি সিরিজের মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

অভিনয় ও মার্শাল আর্টের বাইরে চাক নরিস তার স্পষ্টবাদী রাজনৈতিক মতামতের জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। তার সুঠাম দেহভঙ্গি আর অপ্রতিরোধ্য সাহসিকতা তাকে ইন্টারনেটের যুগে এক অমর ‘মিম’ আইকনে পরিণত করেছিল। আশির দশকের অ্যাকশন ঘরানার সিনেমার সংজ্ঞা বদলে দেওয়া এই তারকার প্রয়াণ একটি যুগের অবসান ঘটালো। সূত্রমতে, তার শেষ বিদায়ে হলিউডের সহকর্মী থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত অ্যাথলেটরা শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। মার্শাল আর্ট এবং সিনেমার পর্দায় তিনি যে বীরত্বগাথা রেখে গেছেন, তা আগামী প্রজন্মের কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

সারাবাংলা/এফএন/এএসজি