Monday 13 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

এগারো থেকে চৌদ্দ: বিটিএসের অবিচ্ছেদ্য বন্ধন ও আরএম-এর স্বীকারোক্তি

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩০

বিশ্বসংগীতের মানচিত্রে ‘বিটিএস’ এখন আর কেবল সাতজন তরুণের একটি ব্যান্ড নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক আবেগ। সময়ের স্রোতে অনেক জনপ্রিয় ব্যান্ড হারিয়ে গেলেও বিটিএস কীভাবে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে একে অপরের হাত শক্ত করে ধরে রেখেছে, তা নিয়ে ভক্তদের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। সম্প্রতি একটি ইউটিউব শো-তে এসে সেই সাফল্যের রহস্য আর অটুট বন্ধুত্বের রসায়ন ফাঁস করলেন ব্যান্ডটির লিডার আরএম। ভক্তদের জন্য তার বার্তা ছিল স্পষ্ট পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর সহমর্মিতাই তাদের এই দীর্ঘ যাত্রার মূল চালিকাশক্তি।

বিটিএসের অফিসিয়াল অভিষেকের ১৩ বছরপূর্তি হতে চলেছে আগামী জুনে। কিন্তু আরএম মনে করিয়ে দিলেন, তাদের এই যূথবদ্ধ জীবনের গল্পটা শুরু হয়েছিল আরও আগে, প্রায় ১৪ বছর আগে থেকে। জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি, জানকুক এবং আরএম এই সাতটি নাম আজ একে অপরের সমার্থক। আরএম-এর ভাষায়, দীর্ঘ তিন বছর ৯ মাস পর যখন তারা লস অ্যাঞ্জেলেসে একসঙ্গে সময় কাটাতে শুরু করেন, তখন তা কোনো পেশাদার কাজের চাপ ছিল না; বরং তা ছিল পরিবারের কাছে ফেরার মতো এক স্বস্তি।

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ বিরতির পর বিটিএস-এর নতুন অ্যালবাম ‘আরিরাং’ নিয়ে আরএম-এর চোখেমুখে ছিল তৃপ্তির আভা। প্রায় ১০০টি গান থেকে বাছাই করে ১৪টি গান নিয়ে সাজানো এই অ্যালবামটি তাদের ফেরার বার্তাকে আরও জোরালো করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেই দিনগুলোতে সকালে একসঙ্গে ব্যায়াম করা থেকে শুরু করে গভীর রাতে আড্ডার ফাঁকে গান লেখা, সব মিলিয়ে যেন সেই পুরনো দিনগুলোই ফিরে এসেছিল তাদের জীবনে। আরএম স্বীকার করেন, এক ছাদের নিচে সাতজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের থাকাটা অনেকের জন্য কঠিন হলেও, তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ব্যান্ডের স্থায়িত্ব নিয়ে আরএম-এর বক্তব্য বেশ আবেগপ্রবণ। তিনি বলেন, ‘১৪ বছর ধরে আমরা একসঙ্গে আছি, কেউ দল ছেড়ে যায়নি, এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।’ এই অটুট সম্পর্কের পেছনে কাজ করেছে তাদের ‘আর্মি’ বা ভক্তদের প্রতি দায়বদ্ধতা। প্রতিটি পদক্ষেপে ভক্তদের জন্য অর্থবহ কিছু করার তাড়না তাদের ব্যক্তিগত অহংকারকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। আরএম মনে করেন, তাদের প্রত্যেকের হৃদয়ে থাকা দয়া ও সহানুভূতিই তাদের একে অপরের পরিপূরক করে তুলেছে, যা বিটিএসকে শুধু একটি মিউজিক গ্রুপ নয়, বরং বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের কাছে বিশ্বাসের এক নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সারাবাংলা/এফএন/এএসজি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর