Tuesday 13 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ছবি ভালো চললে শত কোটি ব্যবসা সম্ভব: শাকিল

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপনডেন্ট
১৯ অক্টোবর ২০২৪ ১৭:৩৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আলফা আই স্টুডিওজের কর্ণধার শাহরিয়ার শাকিল বলেছেন, দেশে যে সব সিনেমা হল চালু রয়েছে সেগুলোতে কোন ছবি যদি টানা দুই মাস ভালোভাবে চলে তাহলে শত কোটি টাকা ব্যবসা সম্ভব। শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীর চিত্রশালায় টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (টেজাব) আয়োজিত চলচ্চিত্র বিষয়ক সংলাপে উপস্থিত থেকে সুড়ঙ্গ ও তুফান ছবির এই প্রযোজক বলেন, ফিল্মে কিছু পলিসি আছে এগুলো অতি দ্রুত চেঞ্জ করা উচিত। যদি চেঞ্জ করা যায়, তবে যে কোন সিনেমা মোটামুটিভাবে রেভিনিউ তুলে আনা সম্ভব।

গল্পের প্রয়োজনে অনেক ভায়োলেন্স বা সত্যটা দেখাতে গেলে সেটা দেখানো যায় না। নতুন যে সার্টিফিকেশন বোর্ড হয়েছে আগের থেকে এখানে কী কী পার্থক্য এবং ‘ল’ আছে সে বিষয়গুলো ভালোভাবে জানানো উচিত।

বিজ্ঞাপন

ব্লকবাস্টার ‘তুফান’ মুক্তি দিতে গিয়ে শাহরিয়ার শাকিল যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন সেগুলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলা আছে সেগুলোতে কত টাকা টিকিট বিক্রি হচ্ছে তা ঠিকঠাক হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। হলে প্রতিনিধি পাঠানো হয় প্রতিনিধিকে পাহারা দেয়ার জন্য আরেকজন প্রতিনিধি পাঠাতে হয়। এতে করে শুধু প্রযোজক নয়, সরকারও ঠিকভাবে ট্যাক্স পাচ্ছে না। সরকার যদি বক্স অফিস ও ই-টিকেটিং ব্যবস্থা করে দেয়, তাহলে সঠিক ট্যাক্স পাবে এবং আমরা ব্যবসা করতে পারব।

শাহরিয়ার শাকিল বলেন, যে রেসিওতে সিনেপ্লেক্স টাকা দেয় ১০ কোটি টাকা ব্যবসা করতে হলে ৬০ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি করতে হয়। পরস্পরের আলোচনায় যদি আমরা এই হিসাবটা ঠিক করতে পারি তাহলে উভয় পক্ষই লাভবান হবে। এছাড়া ছবি মুক্তি দিতে গিয়ে পাইরেসির ভয় পেতে হয়। এতে করে নতুন সিনেমাটা ধ্বংসের মুখে চলে।যায়।

‘চলচ্চিত্রের চাঁদমারি : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই সংলাপে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক আবদুল আজিজ। তিনি বলেন, সরকার প্রতিবছর বিশ কোটি টাকা সিনেমায় অনুদান দিচ্ছে। এটা বন্ধ করে তিনটি সিনেপ্লেক্স করে দেয়া উচিত। এতে ইন্ডাস্ট্রি টিকবে। যেভাবে অনুদান দেয়া হয় এতে ইন্ডাস্ট্রির কোনো লাভ হয় না। পাশাপাশি যৌথ প্রযোজনার নিয়মগুলো চেঞ্জ করা উচিত। এতে করে বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করা সম্ভব হবে। যৌথ প্রযোজনার সিনেমাগুলো দিয়েই আমরা অতীতে দেখেছি দর্শকের ঢল নেমেছে।

এই সংলাপে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াত, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সিনেপ্লেক্স এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর খালেদ আহমেদ শাম্মি, তারিক আনাম খান, রায়হান রাফি, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, আরিফুর রহমান (নির্মাতা ও প্রযোজক), তিতাস জিয়া (অভিনেতা, শিক্ষক, সদস্য – পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি), মো. মনিরুজ্জামান খান (নির্বাহী প্রকৌশলী, বিএফডিসি), টেজাব সভাপতি নাজমূল আলম রানা, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ জয় প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেডএস
বিজ্ঞাপন

আরো