চোখ
চোখ এতো কিছু দেখে
তবু তোমাকে দেখার
অপেক্ষায় পাথর হয়ে আছে।
প্রেমের মতো তুমি একটাই নেশা।
যখন
কবিতা এসে দাঁড়ায় চোখের ভিতরে
তখন এই পথ আর তুমি
আমার আশ্রয় হয়ে ওঠে।
মূলত তোমার দিকে
হাঁটতে হাঁটতে আমি আমার
কাছেই যেতে চাই।
খুব অন্যায় ভাবে বেঁচে আছি
আশ্চর্যজনকভাবে
খুব অন্যায়ভাবে বেঁচে আছি।
অথচ আমাদের বেঁচে থাকার কোনো কারণ নেই।
এখানে কোনো স্বপ্ন নেই,
প্রিয়তমা নেই,
সংগ্রামও একদিন বিক্রি হয়ে যায়।
স্বাধীনতার মোড়কে
কেবলই রক্তবমি।
পৃথিবী, সূর্য আর আমি—
খুব অন্যায়ভাবে বেঁচে আছি।
এক বোকাচণ্ডী ক্যামেরাম্যান,
‘কাট’ বলতে ভুলে গেছে।
ফ্রিজ শটের বদলে
সে একটানা চিত্রায়ণ করে যাচ্ছে—
যেন এই অন্যায়েরও
কোনো শেষ দৃশ্য নেই।
এক অদৃশ্য শূন্যতা
ঈশ্বরের মতো
কি যেন একটা হারিয়ে ফেলেছি।
শূন্য মন্দিরের মতো
বিশ্বাস?
হয়তো…
কিন্তু মনে পড়ছে না,
কখন শেষবার কাউকে বিশ্বাস করেছিলাম।
‘নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো
মানবিকতা?
হয়তো সেটাই—
চারপাশে তাকিয়েও যার অস্তিত্ব খুঁজে পাই না।
ভালোবাসা?
না,
সেটা তো কোনোদিন আমার ছিল না।
তবে কী হারিয়েছে?
কোনো এক অদৃশ্য শূন্যতা,
যার নাম জানি না—
অথচ তার অনুপস্থিতি
তোমার না পাওয়ার মতোই
প্রতিদিন আমাকে পোড়ায়।
কি জানি শরতের মেঘের মতো
হয়তো হারিয়েছি নিজেকেই’