রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে মন্নুজান হলের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় সংসদের ভিপি ও এজিএস পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে মন্নুজান হলের ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এফ নজরুল ইসলাম।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুসারে, মন্নুজান হল থেকে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ৯৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত শেখ নূর উদ্দীন আবীর পেয়েছেন ২৩৬ ভোট এবং সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদের তাসিন খান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট।
জিএস পদে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন আধিপত্যবিরোধী ঐক্যের সালাউদ্দিন আম্মার, তিনি পেয়েছেন ৮৪১ ভোট। এ পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ফাহিম রেজা পেয়েছেন ৪৯৫ ভোট এবং ছাত্রদলের নাফিউল জীবন পেয়েছেন ৮৯ ভোট।
এজিএস পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত সালমান সাব্বির পেয়েছেন ৫৫৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত জাহিন বিশ্বাস এষা পেয়েছেন ৩৭৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সজিবুর রহমান পেয়েছেন ২৫৮ ভোট।
এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ইতোমধ্যে আরও ৩টি হলের ভোট গণনা শেষ হয়েছে এবং ক্রসম্যাচ চলছে। খুব শীগ্রই ফলাফল আসবে বলে জানা গেছে।

রাকসুতে ভোট দিতে লাইনে দাড়িয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সারাবাংলা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট-এ ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ফরিদ উদ্দিন খান।
তিনি জানান, ছাত্রদের ১১টি হলে গড়ে ভোট পড়েছে ৭৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এর মধ্যে শেরে বাংলা ফজলুল হক হলে ভোট পড়েছে ৭৩ দশমিক ৯২ শতাংশ, শাহমখদুম হলে ৭৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, নবাব আবদুল লতিফ হলে ৬৯ দশমিক ১৮ শতাংশ, সৈয়দ আমীর আলী হলে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ, শহীদ শামসুজ্জোহা হলে ৭৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ, শহীদ হবিবুর রহমান হলে ৭১ দশমিক ৫৫ শতাংশ, মতিহার হলে ৭৩ দশমিক ২২ শতাংশ, মাদার বখ্শ হলে ৭১ দশমিক ২৫ শতাংশ, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ৭৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ৭১ দশমিক ৬৮ শতাংশ, বিজয় ২৪ হলে ৭৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ,
ছাত্রীদের ছয়টি হলে গড়ে ভোট পড়েছে ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ৷ এর মধ্যে মন্নুজান হলে ৬৭ দশমিক ১১ শতাংশ,
রোকেয়া হলে ৫৯ দশমিক ৬০ শতাংশ, তাপসী রাবেয়া হলে ৬৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ, বেগম খালেদা জিয়া হলে ৬১ দশমিক ৪৯ শতাংশ, রহমতুন্নেসা হলে ৬০ দশমিক ৭০ শতাংশ, জুলাই ৩৬ হলে ৬৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এফ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘রাকসুর ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এবার রাকসু নির্বাচনে মোট ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ কাস্ট হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালটবাক্সগুলোকে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে নেওয়া হয়েছে এবং গণনাকাজ চলমান।’
এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৭টি কেন্দ্রে এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। পরে ভোট গণনার জন্য ব্যালট বাক্সগুলো নেওয়া হয়েছে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ২৮ হাজার ৯০৯ জন। এরমধ্যে ভোট দিয়েছেন ২০ হাজার ১৮৭ জন। এখন ভোট গণনা চলছে।

এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি রাকসুর ভোট গণনা দেখছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সারাবাংলা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি দেখানো হচ্ছে ভোট গণনা।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন আনা হয় সকল কেন্দ্রের ব্যালট বাক্স। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হয় ভোটগণনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন ও শহিদ মিনারে বসানো এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি দেখানো হচ্ছে ভোট গণনা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট-এ ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভোটগণনা শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়।
বিকেল ৫টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে কেন্দ্রীয়ভাবে ১৭টি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা শুরুর কথা থাকলেও ভোট গণনার বিষয়ে অধ্যাপক পারভেজ আজহারুল হক বলেন, ‘৫টায় ভোট গণনা শুরুর কথা থাকলেও ৬টায় শুরু হবে।’
এবারের রাকসু নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ৯টি একাডেমিক ভবনে স্থাপিত ১৭টি ভোটকেন্দ্রে। কেন্দ্রীয় রাকসুর ২৩টি পদে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে রয়েছে সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ। সিনেটের ছাত্র প্রতিনিধির পাঁচটি পদে ৫৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে ১৭টি হল সংসদের ২৫৫টি পদে মোট ৫৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটারের ৩৯ দশমিক ১০ শতাংশ নারী, ৬০ দশমিক ৯০ পুরুষ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে সাড়ে চার ঘণ্টায় প্রায় ৪৭ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কয়েকজন প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, হবিবুর রহমান হলে ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। শেরেবাংলা হলে ৫৫ শতাংশ, সোহরাওয়ার্দী হলে ৩৫ শতাংশ, শহিদ শামসুজ্জোহা হলে ৪৫ শতাংশ, রহমতুন্নেসা হলে ৫৫ শতাংশ, মাদার বখশ হলে ৩৫ শতাংশ, মন্নুজান হলে ৪৫ শতাংশ, খালেদা জিয়া হলে ৫৬ শতাংশ এবং তাপসী রাবেয়া হলে ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। ১৭টি কেন্দ্রে ৯১৮ জন প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন ২৮ হাজার ৯০১ জন ভোটার।
কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের হার অত্যন্ত উৎসাহজনক। আগের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুযায়ী এখানে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট কাস্ট হওয়ার আশা করা যায়। ভোটের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।’

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে চলছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), সিনেট প্রতিনিধি ও হল সংসদ নির্বাচন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ছাড়া ক্যাম্পাসে আর কারো প্রবেশের অনুমতি নেই। তবে নির্বাচন কমিশন প্রতি প্যানেলের অনুরোধের ভিত্তিতে ৫ জন বহিরাগতকে ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন মার্কেটে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নেতা আমানুল্লাহ আমানকে বসে থাকতে দেখা গেছে। এ দৃশ্য দেখে কিছু শিক্ষার্থী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল বিকালেও তিনি টুকিটাকি চত্বরে উপস্থিত ছিলেন।
জিএস পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরও একটি ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা কীভাবে ভোট চলাকালে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারলেন, তা দেখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নন কি অন্যভাবে ঢুকেছেন, আমরা জানি না। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এটি উদ্বেগজনক।’
নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, ‘নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য অনেকে আবেদন করেছেন। আমরা সে অনুযায়ী প্রতি প্যানেলে ৫ জনকে অনুমতি দিয়েছি। তারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না, তবে ক্যাম্পাসে ঘুরাঘুরি করতে পারবে এবং নির্বাচন কেমন হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করবে। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরসহ যারা আবেদন করেছে, সবাইকেই পাঁচজন করে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

রাকসুতে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী জাহিন বিশ্বাস এষা বলেছেন, নিরাপত্তাসহ সব বিষয়ে প্রশাসনের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত ঠিকঠাক আছে। ভোটের ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রশাসন যেন এভাবে অনড় ও সজাগ থাকে। যে কোনো অপ্রীতিকর অবস্থা তৈরি হলে প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা মিলে সেটি প্রতিহত করবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনে ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এষা বিশ্ববিদ্যালয়ের রহমতুন্নেসা হলের শিক্ষার্থী।
ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে এষা বলেন, ‘জীবনে আজ প্রথম ভোট দিয়েছি। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করেছি। কীভাবে ভোট দিতে হবে সেই নির্দেশনা আগে পেয়েছিলাম। ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসাররা বিষয়টি ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আশা করি, সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা বজায় রেখে শেষ পর্যন্ত ভোট প্রদান করতে পারব।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) প্রার্থী শেখ নূর উদ্দিন আবীর বলেছেন, ফলাফল যাই হোক, আমরা শিক্ষার্থীদের রায় মেনে নেব।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমিক ভবনে ভোট প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
আবীর আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসঙ্গতি দেখিনি। ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। আমরা জয় নিয়ে আশাবাদী।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্যানেলে রয়েছেন জাতীয় দলের ফুটবল খেলোয়াড়, ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীসহ বহু যোগ্য প্রার্থী। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।’

রাবি: সাড়ে তিন দশক পর ছাত্র সংসদে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে ভোট দিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি ভবনের ১৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসুর রাকসুর ২৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৩০৫ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে থেকে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দেবেন প্রায় ২৯ হাজার ভোটার। হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনও একইসঙ্গে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে নির্বাচনি আমেজ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা দল বেধে আসছেন ভোট দিতে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও রয়েছে কঠোর অবস্থানে। প্রতিটি হলে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষক, কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিএনসিসি, প্রক্টরিয়াল টিম দায়িত্ব পালন করছে।