পাবনা: পাবনায় ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে একই জলাধারে মাছের সঙ্গে ঝিনুকে মুক্তা চাষ। একইসঙ্গে গড়ে উঠছে মুক্তা আর ঝিনুক কেন্দ্রীক কুটির শিল্প। কর্মসংস্থান আর দরিদ্র বিমোচনের পাশাপাশি এ শিল্প খুলে দিতে পারে বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন দুয়ার।
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি ঝিনুকে মুক্তা চাষ করে সাফল্যের নজির গড়েছেন পাবনার আটঘরিয়ার ভরতপুরের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আল মামুন। তার এই সফলতা অর্জনের পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে অনেকের। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে নারী ও পুরুষের।
২০১৯ সালে মুক্তা চাষ শুরু করেন মামুন। এখন তিনি সফল উদ্যোক্তা। তার এখানে ৬ থেকে ৭ জনের কর্মস্থান হয়েছে। সরকারি সহায়তা পেলে আরও মুক্তা চাষ প্রসারিত করতে পারবে বলে মনে করেন।
মুক্তা চাষ এখন সহজ ও দারুন সম্ভাবনাময় মামুনের কাছে। আগ্রহী উদ্যোক্তাদের পুরো কৌশল শেখাতেও প্রস্তুত তিনি। নিপুণ হাতে কৃত্রিম উপায়ে মুক্তা তৈরির করে প্রতিমাসে তার আয় অর্ধ লাখ টাকার বেশি। তৈরি করছেন বিভিন্ন রকমের গহনা, শো-পিসসহ নানা উপকরণ। বাজারে এর চাহিদা থাকায় সহজেই বিক্রয় হচ্ছে এইসব উপকরণ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দিপক কুমার পাল পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি ঝিনুকে মুক্তা চাষী উদ্যোক্তাদের কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন এবং সমাজের বেকার যুবকদের এই পেশায় আশার পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, ‘পুকুরে ঝিনুকে মুক্তা চাষে তেমন বাড়তি খরচ করতে হয় না। শুধু পরিচর্চা করলেই কৃত্রিম উপায়ে পুকুরে খাবার তৈরি হয়। এতে মাছের পাশাপাশি ঝিনুকের মুক্তা চাষ করে লাভবান হওয়া যায়।’