রংপুর: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন সদ্য সম্পন্ন হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (২০২৫) বাতিল করে নতুন করে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতির বিষয়টি সবার কাছে প্রমাণিত।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে পীরগাছা সদর ইউনিয়নের অনন্তরাম দশগাঁও এলাকায় একটি মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত কর্মীসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে এবং ডিজিটাল জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। টাকা দিয়ে প্রশ্ন কিনে যারা শিক্ষক হবে, তারা আমাদের শিশুদের কী শেখাবে? এতে প্রকৃত মেধাবী শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হবে।’
তিনি এই পরীক্ষাকে ‘নকল, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইসনির্ভর অনিয়মপূর্ণ’ বলে অভিহিত করে বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা বহাল রাখা মেধার পক্ষে নয়।
তিনি বলেন, “আমরা ‘কোটা না মেধা’ স্লোগান দিয়েছিলাম। এই সিদ্ধান্ত কি মেধার পক্ষে, না ফাঁসের পক্ষে—প্রশ্ন থেকেই যায়।”
এনসিপির এই নেতা সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি ও নকলমুক্ত পরিবেশে প্রকৃত মেধাবী শিক্ষক নির্বাচনের জন্য পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে নিতে হবে।’ সব জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন- জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও রংপুর-৪ আসনের জোটের নির্বাচনি সমন্বয়কারী মোস্তাক আহমেদ, জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তায়িন বিল্লা, পীরগাছা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন শিমুল, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি হাফেজ ইদ্রিস আলী, ইউনিয়ন এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুল গনি মিয়াসহ স্থানীয় নেতারা।