চুয়াডাঙ্গা: জেলার সদর উপজেলা ও দর্শনা থানার নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের স্কুল পাড়ার দিন মজুর আরিফের স্ত্রী আসমা (২৫) ও একই গ্রামের কৃষক আহামেদ আলীর ছেলে স্বপন আলী (২৮) পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই প্রেক্ষিতে ওই দু’জন গভীররাতে শারীরিকভাবে মিলিত হওয়ার সময় গ্রামবাসীর কাছে ধরা পড়ে।
স্থানীয় যুবদল কর্মী নান্নু জানান, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) রাত ২টার দিকে আসমা শোবার ঘরে স্বপন আলীর উপস্থিতি টের পায় গ্রামের কিছু মানুষ। গ্রামবাসীর অভিযোগ, শারীরিকভাবে মিলিত হওয়া অবস্হায় তাদের হাতেনাতে আটক হয়। তারা মাঝে মধ্যেই শারীরিক ভাবে মিলামেশা করতো বলে তারা জানায়। এ সময় উচ্ছৃঙ্খল কয়েকজন গ্রামবাসী তাদের বেধড়ক মারপিটের পর তাদের মাথা ন্যাড়া করে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে।
এ ঘটনার খবর পেয়ে যুবদল কর্মী নান্নুসহ কয়েকজন বিষয়টি মিমাংসা করে তাদের বাঁধন খুলে দেয়। এটা একটা অমানবিক কাণ্ড হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি গ্রামীণ পর্যায়ে মিমাংসা হয়ে যাওয়ায় আমাদের কোন আপত্তি ছিল না। তাছাড়া এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি।