ভোলা: ভোলার মনপুরায় এক গার্মেন্টস কর্মী তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে মনপুরা থানায় একটি মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা এলাকার স্লুইসগেট সংলগ্ন বেড়িবাঁধে।
ভুক্তভোগী তরুণী সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা এবং ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কর্মরত। তার সঙ্গে মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া এলাকার মো. সজিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৪ জানুয়ারি তিনি ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে মনপুরায় এসে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তার দাদির বাড়িতে ওঠেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পরদিন ১৫ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে স্থানীয় মাসুদ, আল আমিন, আলমগীর, ইদ্রিস মাঝি ও গিয়াসসহ ৭-৮ জন ওই বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শালিসের নামে প্রথমে ২ লাখ টাকা এবং পরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের ভয়ে ওই দিনই তরুণী ও তার প্রেমিক কাছাকাছি এলাকায় প্রেমিকের চাচির বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে তাদের বিয়ের প্রস্তুতির কথা ছিল।
তবে ওই রাতেই অভিযুক্তরা ওই বাড়িতে গিয়ে তরুণী ও তার প্রেমিককে ঘর থেকে বের করে বেড়িবাঁধে নিয়ে আসে। অভিযোগে বলা হয়, গভীর রাতে প্রেমিককে আটকে রেখে মাসুদ ও আল আমিন জোরপূর্বক তরুণীকে বেড়িবাঁধের ঢালে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
মনপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইব্রাহীম হোসেন নয়ন জানান, মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।