ফরিদপুর: ফরিদপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আকরাম আলী।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।
জেলা রিটার্নি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ পত্রের বরাদ দিয়ে সাংবাদিকদের জানান, নগরকান্দা ও সালথায় তার নির্বাচনি এলাকায় নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দের আগেই বিভিন্ন কৌশলে ধানের শীষের নির্বাচনি প্রচারণাসহ রিকশা প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছে।
তিনি জানান, তার নির্বাচনি এলাকার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান তাকে জঘন্যভাবে সম্মানহানীসহ জঙ্গী আখ্যা দিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। পাশাপাশি রিকশা প্রতীকের সমর্থক কদমতলী গ্রামের আলমগীরকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় বিএনপি নেতা রবি মেম্বার বনগ্রাম এলাকায় তার সমর্থককে হত্যার হুমকিসহ প্রার্থীর গাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি দেয়। যা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
এ ছাড়াও দোয়া ও মাহফিলের নামে বড় বড় জমায়েত করে ভুঁড়ি ভোজের আয়োজনের অভিযোগ তুলেন বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলামের বিরুদ্ধে।
তিনি নগরকান্দা প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় শঙ্কিত বলে তার ও তার নির্বাচনি কর্মী সমর্থকদের জীবনের নিরাপত্তা ও ভোট সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি এ সংক্রান্ত অভিযোগপত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ পুলিশ সুপারের নিকট জমা দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবু নাসের, প্রার্থীর মুখপাত্র মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান, খেলাফত মজলিসের ফরিদপুর পৌর শাখার সহকারী সেক্রেটারি মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, মহানগর সভাপতি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, সালথা শাখার সভাপতি মুফতি মফিজুর রহমানসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।