Friday 23 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সিলেটে চোরাকারবারিদের হামলায় বিজিবি সদস্য আহত, গুলিবিদ্ধ ১

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৬ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৭

আহত বিজিবি সদস্য এবং গুলিবিদ্ধ তরুন।

সিলেট: সিলেটের জৈন্তাপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় একজন বিজিবি সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জৈন্তাপুরের গৌরীশংকর টিপরাখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টহলরত বিজিবি দলের সঙ্গে স্থানীয় চোরাকারবারিদের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) নামের এক বিজিবি সদস্য মাথায় গুরুতর আঘাত পান। আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরা পালটা ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। গুলিতে আতিক আহমেদ (২০) নামের এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হন এবং দুই চোরাকারবারি রায়হান মিয়া (২৮) ও নুরজাহান (৫০) আহত হন। গুলিবিদ্ধ আতিক গৌরীশংকর গ্রামের মৃত নূর নবীর ছেলে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, হামলার সময় চোরাকারবারিরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব সৃষ্টি করে সাধারণ জনতাকে উসকে দেয়। এতে বিজিবি সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

এ ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কানাইঘাট সার্কেল) সালমান নূর আলম ও জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ও হরিপুর গ্যাসফিল্ড সেনাক্যাম্পে  সেনাবাহিনীর টহল দল উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং বিজিবি সদস্যদের উদ্ধার করেন।

আহত দুইজনকে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, গুরুতর আহত মো. আতিক ও বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে ভারতীয় সীমান্তে অবৈধ ভাবে চোরাচালানের ৬টি গরু আটক করে জৈন্তাপুর রাজবাড়ী বিওপির সদস্যরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে টহলরত বিজিবি টিমের সাথে স্থানীয় চোরাকারবারিদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে নায়েক মো. ওমর ফারুক নামের এক বিজিবি সদস্যের মাথায় আঘাত করে চোরাকারবারিরা। এতে ওমর ফারুক গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় জৈন্তাপুর থানায় বিজিবি বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর