খুলনা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগে হুমকি, ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি ও দলীয় স্বার্থে নির্যাতন চালায়, তারা ক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিরাপদ থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে ভীতি ছড়িয়ে জনগণকে ভোট থেকে বিরত রাখার চেষ্টা চলছে এবং একটি মহল হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে পরিকল্পিত আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে তিনি এটিকে ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেন।
সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলামী শাসনের অধীনে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে এবং নিরাপত্তাহীনতা থাকবে না।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আসন্ন নির্বাচনে তিনি সহিংসতা চান না, বরং ভোটারদের সচেতন করার ওপর জোর দেন। হিন্দু ভোটারদের হুমকির অভিযোগ পেলে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
নিজের অতীত কাজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হয়ে সন্ত্রাস দমন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করেছেন। ভবিষ্যতেও ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এ সময় সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সহ-সভাপতি মুফতি আবদুল কাইউম জোমাদ্দার, খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্যা, ছাত্রশিবিরের খুলনা জেলা সেক্রেটারি মোমিনুর রহমান, ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট অশোক কুমার সিংহ, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মন্ডল, ডুমুরিয়া সদর ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবু তাহের, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা শরিফুল ইসলাম সহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।